একজন আমেরিকান তালেবান

জন লেনন কে আমরা অনেকে চিনি সেই জনপ্রিয় বিশ্ব মানবতার  গানের কারণে “Imagine there’s no heaven”। জন লেননের মৃত্যুর দুই মাস পরে আমেরিকাতে একজন শিশুর জন্ম হয়। জন লেননের স্মৃতির কথা মনে রেখে তার নামও রাখা হয় জন(১)। পুরো নাম John Walker Lindh । তার পিতা মাতা কি আশায় তার নাম জন রেখেছিলেন আমরা অনুমান করতে পারি। তবে একটি ধর্মে প্রভাবে তার পরিণতি কি হয়েছে আমরা জানি।

John Walker Lindh

তাকে সবাই আমেরিকান তালেবান নামে চিনেন, যে কিনা আফগানিস্থানে আল-কায়েদার পক্ষে নিজ দেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে। তিনি রাতারাতিই এই সন্ত্রাসবাদে জড়িয়ে যাননি। আজ আমরা তার বিবর্তনের গল্প ই আলোচনা করব।

মাত্র ১২ বছর বয়সে জন প্রথম ইসলামের প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠে, যখন তার মা তাকে স্পাইক লি’র “ম্যালকম এক্স” নামক একটি সিনেমা দেখাতে নিয়ে যায়। টাইম ম্যাগাজিনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তার মা বলেন “ঐ দৃশ্যটি তাকে খুবই আলোড়িত করে যখন সে দেখে সব জাতির মানুষ একই ঈশ্বরের দিকে মাথা নত করছে ।”(২)

তখন কেউই এই বিষয়টাকে পাত্তা দেয় নাই কিংবা জরুরী মনে করে নাই যে এই কম বয়স্ক ছেলেটিকে ইসলাম ধর্মের বিপদজনক দিক সম্পর্কে সতর্ক করে দেবে। বরঞ্চ তার পিতা মাতা তাকে অনুমতি এবং আশীর্বাদ দিয়েছে যাতে সে তার হৃদয়ের আকাঙ্ক্ষা চরিতার্থ করতে পারে কারণ তারা নিজেরাও ইসলাম ধর্মের মৌলিক বিষয়বস্তুর ব্যাপারে অজ্ঞ ছিল।  

টাইম ম্যাগাজিনে (সেপ্টেম্বর মাসের ২৯ তারিখ ২০০২ সালের সংস্করনে) লেখা হয় যে জনের পিতা মাতা এই বিষয়টা নিয়ে খুবই খুশি হয়েছিলেন যে তাদের সন্তান এমন কিছু পেয়েছে যা তাকে আলোড়িত করেছে। সেই সময় অন্যান্য পিতামাতাদের যারা জানতো যে তাদের নিজেদের ছেলেমেয়েরা নেশা করা, অবাধ যৌনতা কিংবা দ্রুত বা বেপরোয়া গাড়ি চালানোর মত ক্ষতিকারক যেসব কাজে জড়িয়ে যেত সেই তুলনায় জনের কাজটি ছিল অত্যন্ত নিষ্পাপ সুলভ।

জনের মা তাকে শুক্রবারের জুম্মার নামাজের জন্য মসজিদে গাড়িতে করে নামিয়ে দিয়ে আসত। কখনো কখনো সন্ধ্যার সময় মুসল্লীদের কেউ তাকে তাদের গাড়িতে করে জনের বাসায় নামিয়ে দিয়ে যেত। একজন আমেরিকান যুবকের ইসলাম গ্রহণ করার এই প্রথম দিককার বিষয় সমুহ সহনশীল আমেরিকান সমাজে র চোখে মোটেও বিপদের ইঙ্গিত সূচক কিংবা ভুল কিছু বলে মনে হয়নি।

তৎকালীন সময়ে সে যখন তার সমাজের অনেকের চোখে বেমানান ইসলামিক কাপড়চোপড় পরে রাস্তায় পায়চারি করত তখন তার সমাজের লোকজন হয়ত এর মধ্যে তেমন বিপদজনক বা শঙ্কা বোধ করবার মতো কিছু দেখতে পাননি । টাইম ম্যাগাজিনের ভাষায় এটা যেন আরো একজন “যুবক তার জীবন নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট করছে, আধ্যাত্মিকতা খুঁজে ফিরছে এর মধ্যে কোন ভয় বা ঘৃণা সূচক কিছু থাকতে পারে না।’

জনের বাবা  অন্যান্য মুসলমানদের মধ্যে ইসলামিক আথিতেয়তা সংস্কৃতি দেখে এতই পছন্দ করেছিলেন যে এর মধ্যে কোন ধর্মীয় কাল্ট জাতীয় কোন ভয়াবহ কিছুর বিপদ সংকেত দেখতে পাননি । তাই তার পিতা তাকে কোন প্রকার বিপদ সম্পর্কে সতর্ক না করে বরং তার ধর্ম বিশ্বাসের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করেছেন। একদিন তিনি তার ছেলেকে বলেছিলেন “আমার মনে হয় না যে তুমি ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়েছ বা এই ধর্মটি খুঁজে পেয়েছো বরং তুমি যেন তোমার নিজের ভেতরে নিজের মুসলিম সত্তাকে আবিষ্কার করেছ।” “I don’t think you’ve really converted to Islam as much as you’ve found it within yourself; you sort of found your inner Muslim.”

অন্যদিকে তার পিতা-মাতার অজান্তে এবং প্রতিবেশীদের দৃষ্টির আড়ালে একজন টিনেজ যুবক ধীরে ধীরে মগজ ধোলাই হতে হতে ধর্মান্ধ হয়ে নিজ দেশকে ঘৃণা করতে শিখে নিল। ইয়েমেনে তার ধর্ম শিক্ষকের বিবৃতি অনুসারে জন আমেরিকা থেকে এসেছিল তার মনে মধ্যে আমেরিকার প্রতি পুঞ্জীভূত ঘৃণা সাথে নিয়েই । ইয়েমেন থেকে তার মায়ের কাছে লেখা চিঠিতে সে ২৩ শে সেপ্টেম্বর ১৯৯৮ সালের আফ্রিকাতে আমেরিকান এম্বাসির আগের মাসে করা বোমা হামলা সম্পর্কে বলে ছিল যে “এটা দেখে মনে হচ্ছে আমেরিকান গভর্নমেন্ট নিজেই এ কাজটা করেছে, মুসলমানদের কাজ এইটা না”। আসলে অধিকাংশ মানুষ ইতিমধ্যে এ ব্যাপারে অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছে যখন মুসলিমরা কোন অপরাধ করে তখন ভিকটিমকে তার অপরাধের জন্য দায়ী করে। একটা চমৎকার গল্প আছে- চার হাজার ইহুদীদের নিয়ে  যারা নাকি ১১ ই সেপ্টেম্বরের দিন কাজ করতে টুইন টাওয়ারে যায়নি। বিন লাদেন যে কাজের জন্য নিজেকে অহংকার এর সঙ্গে বিজয়ী ঘোষণা করেছে, সেই কাজ কে মুসলমানরা একটি কন্সপিরেসি থিওরি দাঁড়া বিকৃত করে আমেরিকান সিআইএ এবং মোসাদ কে দোষারোপ করে থাকে।
আর তাই একজন নিষ্পাপ ছেলে ধীরে ধীরে তার ইসলাম ধর্মে বিশ্বাস সুদৃঢ় করতে থাকে এবং বুঝতে পারে যে সত্যিকারের ইসলাম সমগ্র মানব জাতির জন্য খুবই জরুরী আর তাই সে অত্যন্ত আগ্রহের সঙ্গে তা চর্চা করতে চেষ্টা করে এবং শিখতে থাকে। সে কোরআন শরীফ মুখস্ত করতে শুরু করে এবং তার নোট বই তে লিখে রাখে –

“আমরা আমৃত্যু জিহাদ করতে থাকবো।“

সে হয়ত ভালোভাবেই জানতো যে ১১ সেপ্টেম্বরের আক্রমণের জন্য কারা দায়ী তারপরও সে একদিক দিয়ে এই কাজটা যে মুসলমানদের কাজ তা মানতে অস্বীকার করতো, অন্যদিক দিয়ে সে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে থাকতো যে সে জিহাদ করতে থাকবে আমৃত্যু। এরই মধ্য দিয়ে জন নিজেকে তার অন্যান্য দেশবাসীদের থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলল।

কোরআন শরীফ অনুসারে মুসলমানদের অনুমতি নাই অমুসলিমদের কে অভিভাবক হিসেবে নেয়ায় (কোরআন ৯:২৩) তাদেরকে বলা হয় অমুসলিমদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য (কোরআন ৯:২৯) এবং তাদেরকে হত্যা করতে (কোরআন ৯:১২৩) মুসলমানদের অন্যান্য ধর্ম গ্রহণের অনুমতি নাই (কোরআন ৩:৮৫)

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُواْ لاَ تَتَّخِذُواْ آبَاءكُمْ وَإِخْوَانَكُمْ أَوْلِيَاء إَنِ اسْتَحَبُّواْ الْكُفْرَ عَلَى الإِيمَانِ وَمَن يَتَوَلَّهُم مِّنكُمْ فَأُوْلَـئِكَ هُمُ الظَّالِمُونَ

হে ঈমানদারগণ! তোমরা স্বীয় পিতা ও ভাইদের অভিভাবকরূপে গ্রহণ করো না, যদি তারা ঈমান অপেক্ষা কুফরকে ভালবাসে। আর তোমাদের যারা তাদের অভিভাবকরূপে গ্রহণ করে তারা সীমালংঘনকারী। [ সুরা তাওবা ৯:২৩ ]

قَاتِلُواْ الَّذِينَ لاَ يُؤْمِنُونَ بِاللّهِ وَلاَ بِالْيَوْمِ الآخِرِ وَلاَ يُحَرِّمُونَ مَا حَرَّمَ اللّهُ وَرَسُولُهُ وَلاَ يَدِينُونَ دِينَ الْحَقِّ مِنَ الَّذِينَ أُوتُواْ الْكِتَابَ حَتَّى يُعْطُواْ الْجِزْيَةَ عَن يَدٍ وَهُمْ صَاغِرُونَ

তোমরা যুদ্ধ কর আহলে-কিতাবে র ঐ লোকদের সাথে, যারা আল্লাহ ও রোজ হাশরে ঈমান রাখে না, আল্লাহ ও তাঁর রসূল যা হারাম করে দিয়েছেন তা হারাম করে না এবং গ্রহণ করে না সত্য ধর্ম, যতক্ষণ না করজোড়ে তারা জিযিয়া প্রদান করে। [ সুরা তাওবা ৯:২৯ ]

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُواْ قَاتِلُواْ الَّذِينَ يَلُونَكُم مِّنَ الْكُفَّارِ وَلِيَجِدُواْ فِيكُمْ غِلْظَةً وَاعْلَمُواْ أَنَّ اللّهَ مَعَ الْمُتَّقِينَ হে ঈমানদারগণ, তোমাদের নিকটবর্তী কাফেরদের সাথে যুদ্ধ চালিয়ে যাও এবং তারা তোমাদের মধ্যে কঠোরতা অনুভব করুক আর জেনে রাখ, আল্লাহ মুত্তাকীদের সাথে রয়েছেন। [ সুরা তাওবা ৯:১২৩ ]

وَمَن يَبْتَغِ غَيْرَ الإِسْلاَمِ دِينًا فَلَن يُقْبَلَ مِنْهُ وَهُوَ فِي الآخِرَةِ مِنَ الْخَاسِرِينَ যে লোক ইসলাম ছাড়া অন্য কোন ধর্ম তালাশ করে, কস্মিণকালেও তা গ্রহণ করা হবে না এবং আখেরাতে সে ক্ষতি গ্রস্ত। [ সুরা ইমরান ৩:৮৫ ]

আর তাই এটা অবাক হবার মত কিছু নয় যে জন তার মায়ের কাছে লেখা চিঠিতে আমেরিকার নির্বাচনে বিজয়ী ২০০০ সালের প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশকে- তোমার নতুন প্রেসিডেন্ট বলে সম্মোধন করেন এবং বলেন আমি খুবই খুশি যে সে আমার প্রেসিডেন্ট নয়।”  লেখক আলী সিনার বিশ্লেষণে অবশ্যই না একজন মুসলমান কখনো অবিশ্বাসীদের শাসন মেনে নিতে পারে না। তাকে অবশ্যই বিধর্মী শাসকদের অবাধ্য হতে হবে। (কোরআন ২৫:৫২)

فَلَا تُطِعِ الْكَافِرِينَ وَجَاهِدْهُم بِهِ جِهَادًا كَبِيرًا

অতএব আপনি কাফেরদের আনুগত্য করবেন না এবং তাদের সাথে এর সাহায্যে কঠোর সংগ্রাম করুন। [ সুরা ফুরকান ২৫:৫২ ]

আসলে জন ওয়াকার লিনড পশ্চিমা বিশ্বের পলিটিকাল কারেক্টনেসের একজন ভিকটিম মাত্র। প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান কি আফগানিস্থানে ইসলামিক সন্ত্রাসীদের কে মুক্তিসেনা হিসেবে ঘোষণা করেন নি? আর তাই একজন সেখানে মুক্তিযোদ্ধা হতে যেতেই পারে।

এর মধ্যে অন্যায় কি থাকতে পারে। প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ এবং টনি ব্লেয়ার বার বার বলেছে “ইসলাম হচ্ছে শান্তির ধর্ম” ? কেন একজন শান্তির ধর্মের অনুসারীকে জেলখানায় বন্দি রাখে যখন সে তাদের চিহ্নিত শান্তির ধর্মের নির্দেশনা অনুসরণ করে? নর্থ কারোলিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের Prof. Michael Sells তার প্রথম বছরের ছাত্রদের জন্য বাধ্যতামূলক পাঠ্য হিসেবে কোরআন শরীফের সুন্দর শিক্ষা সম্বলিত প্রথম দিককার মক্কায় অবতীর্ণ বাছা বাছা আয়াতসমূহ সংকলন করেছেন। অন্যদিকে মদীনায় অবতীর্ণ ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড লুটপাট এবং ধর্ষণের আয়াতসমূহ ইচ্ছাকৃতভাবে বাদ দেয়া হয়েছে। এগুলো কিছুই নয় এগুলো হচ্ছে আত্ম বিভ্রমের খেলা। একই রকম আত্ম বিভ্রম আমরা দেখেছি কেরন আমস্ট্রং এবং জন এস্পসিটো এর ইসলামের সংজ্ঞাতেও।

অল্প বয়স্ক আমেরিকানদের প্রতি মিথ্যে বলা হয়েছে। ইসলাম ধর্মের একটা ভুল চিত্র পশ্চিমা শিক্ষা ব্যবস্থা ও তুলে ধরছে, আর যখন তাদের এই শিক্ষা দ্বারা ইসলাম ধর্মের প্রতি আগ্রহী হয় তারা সেই ধর্ম চর্চা করতে যাচ্ছে তাদেরকে সন্ত্রাসী হিসেবে অভিযুক্ত করে জেলে ঢোকানো হচ্ছে দোষী সাব্যস্ত করা হচ্ছে, এটা কি এক ধরনের হিপোক্রেসি না?

এই শিশুরা কোন অপরাধী নয় তারা শুধু তাদের অসুস্থ পলিটিকাল কারেক্টনেস চর্চার উৎপাদন মাত্র। সংবাদপত্র টেলিভিশন এবং রেডিও স্টেশনে কারোকি সাহস আছে ইসলাম সম্পর্কে সরাসরি বর্ণনা দেওয়ার। কোন রাজনৈতিকবিদ কি আছেন যিনি ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে জাতিকে বলতে পারে?

“ইসলাম ধর্ম শান্তির ধর্ম নয়? আপনার সন্তানদেরকে দেখে রাখুন সামলে রাখুন?”

কেউ যদি সাহস করে এই সত্য বলে তাকে সঙ্গে সঙ্গে রিসিস্ট ঘৃণা বিতরনকারী হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়। অন্যদিকে ইসলামিক প্রপাগাণ্ডা মেশিনগুলোর স্বাধীনতা দেয়া হয় তাদের ইচ্ছা মত মিথ্যা প্রচারের জন্য সানডে টেলিগ্রাফ পত্রিকার ফেব্রুয়ারি মাসের ২৫ তারিখ ২০০৭ সালে বর্ণনা অনুযায়ী যুক্তরাজ্যে দুই হাজারের মতো মুসলমানরা সন্ত্রাসী আক্রমণ করতে আগ্রহী।

আমাদের কি করা উচিত যাতে পৃথিবীর মানুষ এই বিষয়টায় জেগে ওঠে যে ইসলাম ধর্ম মূলে আসলে একটি বিপদজনক কাল্ট এর রূপ নিতে পারে। আমরা আর কখন কোরআন শরীফ এবং ইসলাম ধর্মের ইতিহাস বুঝতে চেষ্টা করব। সেই সাথে স্বীকার করবো সন্ত্রাসীরা যে শুধু মাত্র চরমপন্থী না বরং ইসলাম ধর্মের মূল শিক্ষা সমূহের অনুসরণকারী এবং তাদের অতি প্রিয় নবীর নির্দেশ পালনকারী মাত্র।

যারা প্রথম ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে তারা বিভ্রম অজ্ঞতা এবং ভীতির একটি কাল্পনিক অধোলোকে হাবুডুবু খায় এবং অশুভ কিছু কে অলৌকিক মঙ্গল জনক কিছু ভেবে বসে। তাদের নৈতিকতার ভিত্তি ভেঙে যায় এবং তারা এমন ভাবে কাজ করে যে যেসব কাজ আগে তাদের কাছে অনৈতিক মনে হতো তা  ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পর নৈতিক মনে হতে শুরু করে। যতই তা চর্চা করতে থাকে তাদের বিশ্বাস দৃঢ় হতে থাকে এবং কাল ক্রমে তাদের পক্ষে বাস্তব পৃথিবীতে ফিরে আসা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। ইসলাম ধর্ম আস্তে আস্তে ধরা দেয় যেন ক্রমাগত বেড়ে ওঠা প্যারালাইসিসের মত যা আস্তে আস্তে তার মনকে অক্ষম করে ফেলে এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে তা সবচেয়ে উত্তম মুসলিম জিহাদি হয়ে ওঠে যা কিনা সাধারনত মানুষরা বর্ণনা করে সন্ত্রাসী হিসেবে যদিও তাদের কাল্পনিক আল্লাহ এবং নবীর চোখে সে হয় অতি প্রিয় পাত্র।

জন এখন বিশ বছরের কারাদন্ড ভোগ করছে। 

(ইসলামিক স্টেট বা আইসিস এর উত্থানের আগে রচিত আলী সিনার উন্ডারস্টেন্ডিং মোহাম্মদ বইয়ের লেখাকে কিছুটা পরিমার্জন করার ভিত্তিতে)

১. Alonso-Zalvidar, Ricardo; M. Glionna, John (4 December 2001). “American Taliban Took Odd Route”. The Los Angeles Times.

২. By Timothy Roche, Brian Bennett, Anne Berryman, Hilary Hylton, Siobhan Morrissey And Amany Radwan The Making of John Walker Lindh. http://www.time.com/time/magazine/article/0,9171,1003414-5,00.html 3.

Facebook Comments

সরকার আশেক মাহমুদ

Sarker Ashek Mahmud is a Bangladeshi Ex-Muslim Atheist, Humanist, secular online activist.

Leave a Reply

%d bloggers like this: