নাস্তিকরা কেন এতো অজাচার অনাচার ফ্রি সেক্স করে?

শুরু থেকে শুরু করি। হযরত আদম আর হাওয়ার প্রধান দুই পুত্র। হাবিল আর কাবিল। এরপরে তাদের বংশ বিস্তার হতে হতে আজকের এই মানব সমাজ বলে মুসলমান, ইহুদী এবং খ্রিস্টানরা দাবী করেন। যাইহোক। আদম হাওয়ার দুই পুত্র অলৌকিক কুদরতে সন্তান জন্ম দিয়েছে বলে মনে হয় না। কীভাবে কী হলো তা পাঠকই বিবেচনা করবেন। আমি আর কিছু নাই বললাম। এরপরে ধরুন ইব্রাহিমের কথা। দাসীর গর্ভে জন্ম দিলেন ইসমাইলকে। সেটাও বুঝলাম। এবারে আসুন হযরত লুত এর কাহিনী পড়ি। লুত তার সম্প্রদায় ধ্বংস হয়ে যাওয়ার পরে শুধুমাত্র তার আপন দুই কন্যাকে নিয়ে পাহাড়ের গুহায় আশ্রয় নিলেন। সেখানে তার সন্তান হলো। কীভাবে হলো সেটা পাঠকই বিবেচনা করবেন। আমি নাহয় নাই বললাম। এরপরে আসুন হযরত সুলায়মান এর কাহিনীতে। ৭০০ জন স্ত্রী এবং ৩০০ জন রক্ষিতা ছিল তার। তাও বাদ দিলাম। এভাবে বলতে বলতে দিন রাত শেষ হয়ে যাবে। তাই একলাফে হযরত মুহাম্মদে চলে আসি।

বুড়ি থেকে ৬ বছরের ছুড়ি কাউকেই নারীপ্রেমিক দয়ালনবী মুহাম্মদ বাদ রাখেন নি। যাকে পেয়েছেন বিবাহ করেছেন, মাশাল্লাহ। পালিত পুত্রের সুন্দরী স্ত্রী জয়নব থেকে শুরু করে ইহুদী গোত্রের নেতার নববিবাহিত সুন্দরী যুদ্ধবন্দীনি সাফিয়া, এরপরে ৬ বছরের আয়শা, এরপরে মিশর থেকে পাওয়া মারিয়া কিবতিয়া নামক দাসী, খুব গোপনে উম্মে হানির বাসায় মাঝে মাঝে যাতায়াত। ১১ মতান্তরে ১৩ জন স্ত্রী, চারজন রক্ষিতা/দাসী/যৌনদাসী, ইত্যাদি।

এরপরে আসেন, চাচাতো ভাই আলীর সাথে নিজের মেয়ে বিয়ে দিয়েছিল মুহাম্মদ। সেই মেয়ের নাম ফাতিমা। ফাতিমা মারা যাওয়ার পরে মুহাম্মদের খাদিজার ঘরের কন্যা যইনবের কন্যা অর্থাত মুহাম্মদের নাতি উমামার সাথে বিয়ে হয়েছিল আলীর। তাই আলী একদিকে তার চাচাতো ভাই, মেয়ের জামাই এবং নাতির জামাইও।

আবার মুহাম্মদ বিয়ে করে ওমরের মেয়েকে হাফসাকে। ওমর বিয়ে করে মুহাম্মদের নাতনি, আলী আর ফাতিমার মেয়ে উম্ম কুলথুমকে। সেই দিকে ওমর মুহাম্মদের শ্বশুর এবং মুহাম্মদ ওমরের নানাশ্বশুর। আর মুহাম্মদের চাচাতো ভাই ওরফে মেয়ের জামাই ওরফে নাতির জামাই আলী হচ্ছেন মুহাম্মদের শ্বশুর ওমরের শ্বশুর।

আবার আবু বকরের স্ত্রী আসমা বিনতে উমাইসকে বিয়ে করেন আলী। আবু বকর ছিলেন মুহাম্মদের শ্বশুর। অর্থাৎ মুহাম্মদের শাশুড়িকে বিয়ে করেন মুহাম্মদের একাধারে মেয়ের জামাই, এবং চাচাতো ভাই, এবং নাতির জামাই আলী।

এরপরে আসুন মুহাম্মদের নাতি হযরত হাসানের কথাও কিছু জানি। ইসলামী বিশ্বের সবচাইতে বড় প্লেবয় ছিলেন হযরত হাসান। রীতিমত ইসলামী জেমস বণ্ড যাকে বলে। এত সংখ্যক মু’তা বিবাহ করেছেন যে, গবেষকদের রীতিমত হিমশিম খেতে হয়েছে তা নিয়ে। সঠিক সংখ্যা কেউ বলতে পারে নি, তবে ২৫০ থেকে ৩০০ মু’তা এবং রেগুলার বিবাহের কথা জানা যায়। তবে এই সূত্রগুলো খুব ভালভাবে প্রমাণিত নয়, তাই সেগুলো নাই বা বললাম। তবে এটা খুব ভাল ভাবেই প্রমাণিত যে, ইসলামী বিশ্বে তার মত প্লেবয় আর কেউ ছিল না। হযরতের সুনাম তিনি ভালভাবেই রক্ষা করেছিলেন।

আরো বলবো? বলতে বলতে মহাকাব্য হয়ে যাবে। কিবোর্ড ক্ষয় হয়ে যাবে, কিন্তু ইতিহাস শেষ হবে না। এই নবী রাসুলগণই ধার্মিক ভাইদের নৈতিকতার শিক্ষা দিয়েছেন। যাইহোক। কী জানি বলছিলেন? নাস্তিকরা এত সেক্স করে কেন? ঠিকই বলেছেন ভাই। নাস্তিকরা আসলে খুব পঁচা। তারা ইহকালে একইসাথে চারবিবি আর পরকালে ৭২ টি হুরের সাথে এক একবার ৭০ বছর ব্যাপী সহবত করার খায়েস নিয়েই নাস্তিক হয়। সেই সহবত এমনই সহবত যে, ৭০ বছর ধরে নাকি চলতেই থাকবে। চলতেই থাকবে। চিন্তা করেন, কী জঘন্য তাদের মন মানসিকতা! নাউজুবিল্লাহ!

তারা একদমই বাজে। খালি ফ্রি সেক্স করে। ছিঃ

Facebook Comments