আল্লাহ পাক ও তার বান্দাদের সশ্রদ্ধ চ্যালেঞ্জ: রবীন্দ্র সংগীতের মত করে একটি গান রচনা করেন দেখি

আসুন একটি রবীন্দ্র সঙ্গীত শুনি

এসো নীপবনে ছায়াবিথী তলে

এসো করো স্নান নবধারা জলে

দাও আকুলিয়া ঘন কালো কেশ

পরো দেহ ঘেরি মেঘ নীল বেশ

কাজল নয়নে যূঁথী মালা গলে

এসো নীপবনে ছায়াবিথী তলে

এসো করো স্নান নবধারা জলে

আজি ক্ষণে ক্ষণে হাসিখানি সখী

আঁধারে নয়নে উঠুক চমকিয়া

আজি ক্ষণে ক্ষণে

মল্লারো গানে তব মধু স্বরে

দিক বাণী আনি বন মর্মরে

ঘন বরিষণে জল কলকলে

এসো নীপবনে ছায়াবিথী তলে

এসো করো স্নান নবধারা জলে

(উল্লেখ্য ‘নীপ’ মানে হচ্ছে কদম গাছ।)

এটি রবীন্দ্রসংগীত। কিন্তু আল্লাহ পাককে এই চ্যালেঞ্জ কেন দেয়া হল এর মত গান রচনা করতে? কারণ আল্লাহ পাক নিজেই আমাদের চ্যালেঞ্জ দিয়েছেন তার মত করে সুরা রচনা করতে। আর আল্লাহ নিজেই বলেছেন, তাখাল্লাক্বু বি আখলাক্বিল্লাহ অর্থাৎ তোমরা আল্লাহর গুণে গুণান্বিত হও, তোমরা আল্লাহর আখলাক্বে আখলাক্বিত হও। তাই আল্লাহ পাককে এই সশ্রদ্ধ চ্যালেঞ্জ। আগে দেখি আল্লাহ পাক আমাদের কীভাবে চ্যালেঞ্জ দিয়েছেন,

‘আমি আমার বান্দার প্রতি যা নাযিল করেছি, এ বিষয়ে যদি তোমাদের কোন সন্দেহ থাকে,তাহলে এর মত একটি সূরা রচনা করে নিয়ে আস। আল্লাহ ছাড়া তোমাদের সাহায্যকারীদেরকেও সাথে নাও- যদি তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাক। আর যদি তা না পার,অবশ্য তোমরা তা কখনও পারবেনা, তাহলে,সে দোযখের আগুন থেকে পানা চাও,যার জ্বালানী হবে মানুষ ও পাথর। সূরা বাকারা-২৩-২৪

‘বলুনঃ যদি মানব ও জ্বিন এই কোরআনের অনুরূপ রচনা করে আনয়নের জন্যে জড়ো হয়, এবং তারা পরস্পরের সাহায্যকারী হয়; তবুও তারা কখনও এর অনুরূপ রচনা করে আনতে পারবে না’। সুরা বনি ইসরাইল, আয়াত ৮৮।

উক্ত আয়াতে খেয়াল করে দেখেন, আল্লাহর কোরানের ব্যাপারে কোন সন্দেহ যদি থাকে তবে আমাদেরকে কী করতে হবে? আমাদেরকে এর মত একটা সুরা রচনা করে ফেলতে হবে! হাহ হাহ হা! আবার আমাদের এ প্রচেষ্টা চালিয়ে চাপাতির নিচে পড়ার আগেই দয়াময় আল্লাহ নিজেই সিদ্ধান্ত দিয়ে ফেলেছেন – ‘অবশ্য তোমরা তা কখনও পারবেনা।’ তারপর যথারীতি দোজখ, সে কী থ্রেট! দোজখের জ্বালানি হবে মানুষ ও পাথর। হাহ হাহ হা। আবার আরেকটি আয়াতে বলছেন, মানুষ আর জিন জাতি পরস্পরকে সহায়তা করলেও কোরানের মত কিছু রচনা করতে পারবে না। এ ধরণের আজগুবী কথাবার্তার মানে কী? মানুষ আর জিন জাতি একসাথে কাজ করবে কিভাবে? যদি চ্যালেঞ্জ দেই, আপনি নিজে আরো একশ’ জিনকে সাথে নিয়েও আমার মোকাবিলা করতে পারবেন না – এ ধরণের চ্যালেঞ্জের কোনো অর্থ হয়? জিন জাতির সাথে মিলে কাজ করার কোনো ক্ষমতা যেহেতু মানুষের নাই তাই এ ধরণের চ্যালেঞ্জ বাতুলতা, হাস্যকর ও অবান্তর।

কাউকে যদি বলি বন্দে আলী মিয়ার মত একট পদ্য লেখেন তবে সে কী করবে? আপনাকে যদি চ্যালেঞ্জ দেই আমার এই লেখার মত করে একটা কিছু লেখে দেখান, আপনি তাহলে কী করবেন? কোনো কবিতা অথবা প্রবন্ধের মত করে কিছু লেখা বলতে আসলে কিছু বুঝায় না। আর এর চেয়ে উন্নত মানের লেখা বা মন্দ মানের লেখা এসব ধারণা খুবই আপেক্ষিক। আপনি আমার এ লেখার চেয়ে অনেক বেশি মানের একটি লেখা যদি নিয়ে আসেন তারপরেও আমার নিজের লেখার পক্ষে বলার মত কিছু পয়েন্ট অবশ্যই থাকবে। আবার ধরেন সবাই চেষ্টা করেও কোনো এক কবির মত করে কবিতা লেখতে পারল না, তাতে হয়ত বলা যাবে যে ঐ কবির কবিতা অনন্য। কেউ কোরানের মত কিছু যদি রচনা করতে না পারে তাতে যারা কোরান রচনার সাথে সম্পর্কিত তাদের কাব্য প্রতিভার অনন্যতা বা শ্রেষ্টতা না হয় প্রমাণিত হল, কিন্তু এটা যে স্বয়ং আল্লাহর বাণী তা প্রমাণিত হল কিভাবে?

বস্তুত এ ধরণের ছেলেমানুষী চ্যালেঞ্জই কোরানকে হাস্যকর করে ফেলে। আধুনিক যুগে এটা আরো বালখিল্য হয়ে গেছে। আরবি ভাষার অনেক বিবর্তন হয়েছে। আপনাকে যদি বলি চর্যাপদের মত করে শ্লোক লেখেন তো! অথবা ইলিয়াডের মত করে একটু অথবা সংস্কৃত ভাষায় রচিত মহাভারত বা রামায়াণের একটি শ্লোক। অথবা কবি আলাওলের মত করে অথবা আব্দুল হাকিমের মত, তবে?

তারপরেও কোরানের একটি সুরা দেখি। সুরা ফিল

পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।

১। তুমি কি দেখনি তোমার রব হাতীওয়ালাদের সাথে কী করেছিলেন?

২। তিনি কি তাদের ষড়যন্ত্র ব্যর্থতায় পর্যবসিত করেননি?

৩। আর তিনি তাদের বিরুদ্ধে ঝাঁকে ঝাঁকে পাখি প্রেরণ করেছিলেন।

৪। তারা তাদের ওপর নিক্ষেপ করে পোড়ামাটির কঙ্কর।

৫। অতঃপর তিনি তাদেরকে করলেন ভক্ষিত শস্যপাতার ন্যায়।

এবার ‘সুরা নাস’ নিয়ে বলি। এ সুরার সকল বাক্যের শেষে ´নাস’ শব্দটি আছে যা একঘেয়েমীপূর্ণ, এ কোন ধরণের ছন্দ? ধরেন আমি একটি পদ্য লেখি

আমি যাব খেলতে

তুমি যাবে খেলতে

মজা পাই খেলতে

প্রতিদিন খেলতে।

তারচেয়ে যদি বলি

আমি যাব খেলতে

তুমি যাবে পড়তে,

কী যে মজা খেলতে

যদি তুমি জানতে।

এতে বৈচিত্র আসে ছন্দে, শোনতেও একঘেয়েমী লাগে না।

তারপর আমাদেরকে মনে রাখতে হবে কোরানের সুরাগুলোর উদ্দেশ্য শুধু কবিত্ব প্রদর্শন নয় বরং এর মূল কথা বা তথ্যটাই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা সুরা ফিল থেকে কী তথ্য পাই? পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করে সম্পূর্ণ সুরা জুড়ে বেশ কিছু আচমকা হুমকি-ধামকি ছাড়া আর কিছুই না। আল্লাপাক যিনি সমস্ত মহাবিশ্ব ‘হও’ বললেই হয়ে যায়, যিনি মহাবিশ্ব পরিচালনা করছেন যে মহাবিশ্ব সম্পর্কে কিছুটা জানতেই সকল থেকে বড় বিজ্ঞানীদের মাথা ঘুরে যাচ্ছে সেই মহাবিশ্ব যিনি পরিকল্পনা করেছেন, সৃজন করেছেন, তিনি তুচ্ছ মানুষকে হুমকি দিচ্ছেন, সাবধান করছেন এই বলে যে তিনি হাতিওয়ালাদের ঘাসের সাথে মিশিয়ে দিয়েছিলেন, তাদের ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে দিয়েছিলেন। যে তার সাথে খারাপ আচরণ করবে তাকে ইচ্ছা করলে একই পরিণতির দিকে ঠেলে দিতে পারেন, সুবানাল্লাহ। সমগ্র মহাবিশ্ব তৈরি করে যিনি তুচ্ছ মানুষের সাথে কুস্তি করেন এবং যার মধ্যে তীব্র হিংস্র মানবতার ছাপ আছে তাকে নি:সন্দেহে বলতে পারি মানব কল্পিত অপসত্তা। আবার দেখি সুরা লাহাব

পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।

১। ধ্বংস হোক আব লাহাবের দু হাত এবং সে নিজেও ধ্বংস হোক।

২। তার ধন-সম্পদ এবং যা সে অর্জন করেছে তা তার কাজে আসবে না।

৩। অচিরেই সে দগ্ধ হবে লেলিহান আগুনে।

৪। আর তার স্ত্রী লাকড়ি বহনকারী ,

৫। তার গলায় পাকানো দড়ি।

মানে সেই একই, মানুষের সাথে সর্বজ্ঞ-সবজান্তা, সর্বজ্ঞানী, সর্বশক্তিমান আল্লাপাক কুস্তি করছেন। মুসলমানরা সেই মুহাম্মদের সময় থেকে একজন মানুষকে কোরানের সুরার মাধ্যমে অভিশাপ দিচ্ছে স্ত্রী সমেত ধ্বংস হওয়ার, সে কি এখনো ধ্বংস হয় নাই? আল্লাহ পাকের মত মহান স্বত্বা কেন এত নগ্নভাবে ক্ষ্যাপবেন মুহাম্মদের চাচা আবু লাহাবের উপর যিনি এক তুচ্ছ মানুষ। দেখেন সুরাটা আবার- আবু লাহাবের হাত ধ্বংস হোক, তার ধন-সম্পদ ধ্বংস হোক, তার স্ত্রীকে গলায় ফাস পরানো হবে। কী বীভৎস! এই জিঘাংসার চর্চা আমরা এখনো করছি। দেড় হাজার বছর আগের কোন এক মরুবাসী, চরম বীভৎস হিংসুকের অন্ধকার মননে যে জিঘাংসার সূত্রপাত হয়েছিল তাকে এখনো লালন করে যেতে হবে কেন?

আয়াত: “যখন আমি [আল্লাহ (সুব’হানাহু ওয়া তা’আলা)] কোন জনপদকে ধ্বংস করার ইচ্ছা করি, তখন তার অবস্থাপন্ন লোকদেরকে উদ্ধুদ্ধ করি; অতঃপর তারা পাপাচারে মেতে উঠে। তখন সে জনগোষ্ঠীর উপর আদেশ অবধারিত হয়ে যায়। অতঃপর আমি তাকে উঠিয়ে আছাড় দেই।” সুরা আল-ইসরা, আয়াত ১৬

মন্তব্য: আল্লাহ পাকের কী মহান ষড়যন্ত্র মানুষকে ঘিরে!

সুরা হাক্ক ৬৯: ৩১ – ৩৬ অতঃপর নিক্ষেপ কর জাহান্নামে। অতঃপর তাকে শৃঙ্খলিত কর সত্তর গজ দীর্ঘ এক শিকলে। ………. আজকের দিন এখানে তার কোন সুহৃদ নাই। এবং কোন খাদ্য নাই, ক্ষত-নিঃসৃত পুঁজ ব্যতীত।

সুরা মুহাম্মদ পরহেযগাররা কি তাদের সমান, যারা জাহান্নামে অনন্তকাল থাকবে এবং যাদেরকে পান করতে দেয়া হবে ফুটন্ত পানি অতঃপর তা তাদের নাড়িভূঁড়ি ছিন্ন বিচ্ছিন্ন করে দেবে? [সুরা মুহাম্মদ, ৪৭; আয়াত ১৫]

সূরা নিসা ৪, আয়াত ৫৬ যখন তাদের(জাহান্নামীদের) দেহের চামড়া আগুনে পুড়ে পুড়ে গলে যাবে, তখন (সাথে সাথে) সেখানে অন্য চামড়া সৃষ্টি করে দেবো; যেনো তারা আজাবের স্বাদ পুরোপুরি গ্রহণ করতে পারে।

উপরে দেয়া আয়াতগুলো ভাল করে দেখেন। আল্লাহ পাকের রুচিবোধ কী চমৎকার! তাকে যারা বিশ্বাস করবে না, মান্য করবে না তাদেরকে শাস্তি দেয়া হবে ক্ষত-নিঃসৃত পুঁজ খেতে দিয়ে। একটু ভেবে দেখেন তো প্রচণ্ড উত্তপ্ত আগুনে জ্বালিয়ে একজন মানুষকে শাস্তি দেয়া হবে অনন্তকাল, পান করতে দেয়া হবে ফুটন্ত পানি যা তাদের নাড়িভূঁড়ি ছিন্ন বিচ্ছিন্ন করে দেবে, পাপীকে বেঁধে রাখা হবে সত্তর গজ দীর্ঘ এক শিকলে। দেহের চামড়া একবার পুড়ে গেলে পুনরায় নতুন ভাবে সৃষ্টি করে দেয়া হবে আজাব ভোগের জন্য।

আমরা দেড় হাজার বছর আগের অসভ্যতাকে পেছনে ফেলে অনেক অনেক এগিয়ে এসেছি। আমরা আমাদের চরম শত্রুকেও পুঁজ খাওয়ানোর কথা ভাবি না, এক ঘন্টার জন্যও আগুনে পুড়িয়ে শাস্তি দেয়ার কথা ভাবি না। যুদ্ধাহত শত্রুর সেবা করার কথাও ভাবি কখনো কখনো। কেউ শত্রু হলেও যদি পানি চায় আমরা এগিয়ে দেই। আমরা অনীপ্সিত, হিংস্র, বর্বরতার প্রতিচ্ছবি আল্লাহ পাকের চেয়ে অনেক অনেক বেশি সভ্য, তাই না? আল্লাহ পাক আদেশ করেছেন তার গুণে গুণান্বিত হতে। যারাই আল্লাহ পাককে অনুসরণ করতে যাবে তারা আইএসআইএস, আল কায়দা এর মত বর্বর হবে, এতে আশ্চর্যের কী আছে?

যা বলছিলাম, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোথাও কাউকে ক্ষত-নিঃসৃত পুঁজ খেতে দেয়ার কথা কি বলেছেন? এত জিঘাংসা, এত নিম্ন রুচি একজন মানুষেরও হবে না, সেটা হবে একজন অসুরের।

এক মরু-উন্মাদের উশর মনসা-ক্ষেত্রে হিংস্রতার যে বীজ উপ্ত হয়েছিল তা মহীরুহ হয়ে কোরানে পরিণত হয়েছে। বিবমিষা জাগানিয়া পুতিগন্ধময়-নোংরা আয়াত সম্পন্ন এই গ্রন্থে তাই রবীন্দ্র সংগীতের মত এত অপরূপ স্নিগ্ধতা ছড়ানো গান, রুচিবোধ সম্পন্ন কিছু খুঁজতে যাওয়াই পণ্ডশ্রম। তারচেয়ে আসুন শুনি গানটি আরেকবার। অপর আরেকটি পরিচিত গান দেই, একসাথে শুনি আসেন।

চাঁদের হাসির বাঁধ ভেঙ্গেছে, উছলে পড়ে আলো ।

ও রজনীগন্ধা, তোমার গন্ধসুধা ঢালো ।।

পাগল হাওয়া বুঝতে নারে ডাক পড়েছে কোথায় তারে-

ফুলের বনে যার পাশে যায় তারেই লাগে ভালো ।।

নীল গগনের ললাটখানি চন্দনে আজ মাখা,

বাণীবনের হংসমিথুন মেলেছে আজ পাখা ।

পারিজাতের কেশর নিয়ে ধরায় শশী, ছড়াও কী এ ।

ইন্দ্রপুরীর কোন্ রমণী বাসরপ্রদীপ জ্বালো ।।

…এবং কিছু কথা

১। আল্লাহ নামক হাস্যকর কোনো সত্তা এই মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেনি, আল্লাহ ছিলেন তখনকার সময়ের পৌত্তলিকদের প্রধান দেবতা, মুহাম্মদ নিজের কার্যসিদ্ধির জন্য ইহুদিদের জিহোভার ধারণার সাথে মিলিয়ে আল্লাহকে সাজিয়ে তুলেছিলেন নতুন ধারণায়।

মহাবিশ্বের যদি কোন স্রষ্টা থাকেও সে আল্লাহ, ভগবান, গড এদের মত মানবীয় ও জঘন্য চরিত্রের হবে না। কারো উপাসনা তার প্রয়োজন হওয়ার প্রশ্নই উঠবে না। উপাসনা, প্রশংসা, ভজনা এগুলোর প্রয়োজন হওয়াটা মনুষ্যসুলভ।

এটা অত্যন্ত স্বস্তির কথা যে আল্লাহ পাকের মত হিংস্র, অসভ্য, বর্বর চরিত্রের ঈশ্বরের অস্তিত্ব সম্ভব নয়।

২। কোরান রচনা করেছে মুহাম্মদের সময়কার লোকজন। একই কথা সকল শাস্ত্রের ক্ষেত্রেই- সবগুলো মানুষ রচিত, কোনো সন্দেহ নাই।

৩। এসব মিথ্যা ধর্মগুলোকে দূরে ঠেলে দিয়ে ভাবতে বসি সমাজকে কিভাবে একটু এগিয়ে নেয়া সম্ভব? কিভাবে দু:খ-দারিদ্র জর্জরিত মানুষগুলোকে একটু সুখের সন্ধান দেয়া যায়, একটা মানবিক পৃথিবীর সন্ধান দেয়া যায়। কিভাবে মানুষে মানুষে পাহাড় সম বৈষম্য দূর করা যায়। দরিদ্র ও অশিক্ষিত মানুষগুলোকে আসলেই অধিকার সচেতন করা যায়।

৪। দ্রুত সম্মুখপানে এগিয়ে যেতে হলে ধর্মের অবলুপ্তি প্রয়োজন। সকল প্রগতিশীল ও মানবিক উদ্যোগ অংকুরেই ধ্বংস করে ফেলা হয় ধর্ম ব্যবহার করে।

লেখক: নুরুল আলম

Facebook Comments

Leave a Reply

%d bloggers like this: