ইসলাম সম্পর্কে মনিষীদের কথা

ছোটবেলা একটা চায়ের দোকানে আড্ডা দিতাম, সেখানে এক বয়স্ক লোক নিয়মিত চা বিড়ি খেতে আসতেন। তিনি নানা ধরণের কথাবার্তা বলতেন, অন্যরা গোল হয়ে মুগ্ধ হয়ে তার কথা শুনত। আমিও একবার একটু শোনার চেষ্টা করলাম। শুনলাম তিনি বলছেন, বিজ্ঞানী নিউটন নাকি নিয়মিত কোরান পাঠ করতেন। চার্লস ডারউইন নাকি কোরান থেকেই আসলে নানা তত্ত্ব চুরি করেছে। ইত্যাদি নানা কথাবার্তা। আমি মুচকি মুচকি হাসছিলাম। আমাকে হাসতে দেখে ভদ্রলোক ক্ষেপে গেলেন। আমি উনাকে বোঝাবার চেষ্টা করলাম, এবং বললাম, এভাবে রেফারেন্স ছাড়া কোন মিথ্যা কথা বলে বেড়ানো ঠিক না। এলাকার অশিক্ষিত লোকদের কাছে এগুলো বললে খুব হাততালি পাওয়া যায় বটে, কিন্তু তাতে অশিক্ষা কুশিক্ষা সমাজের চেতনা এবং মনন ধ্বংস করে। সেই ব্যক্তি আমাকে দুই পাতা ইংরেজি পরে বেশি পণ্ডিতি করা নাস্তিক বলে হইচই শুরু করেছিল। তার পক্ষে বেশ কিছু লোকও ছিল। সেই সব অশিক্ষিত লোকগুলোর ধারণা, ঐ লোকটি যেহেতু ধর্মের পক্ষে বলছে, তাই সত্য হোক মিথ্যা হোক, তার কথাই মেনে নিতে হবে। কী মুসিবতের কথা বলুন তো!

প্রায় সময়ই নানা পত্রপত্রিকা কিংবা ফেইসবুকে কিছু লেখা বারবার নজরে আসে। অমুক তমুক বিজ্ঞানী দার্শনিক সমাজবিজ্ঞানী ইতিহাসবিদ নাকি ইসলামের গুণে মুগ্ধ হয়ে ইসলাম আর মুহাম্মদের খুব প্রশংসা করে দিয়েছেন। তা নিয়ে মুমিন মুসলমানদের মধ্যে আনন্দের সীমা থাকে না। সেই সার্টিফিকেটগুলো উনারা মাশাল্লাহ সুভানাল্লাহ বলে সারাক্ষণ শেয়ার করতে থাকেন, এবং নেকি কামাই করতে থাকেন। সেই সাথে আমাদের গ্রামে গঞ্জে হাটবাজারে এরকম অনেক বুড়ো মানুষ পাওয়া যায়, কিংবা এলাকার চায়ের দোকানের পণ্ডিত পাওয়া যায়, যারা নানাভাবে এইসব কথা কোন রেফারেন্স ছাড়াই খুব আত্মবিশ্বাসের সাথে বলে থাকেন। শুধু কী তাই, এমনকি আমাদের সবচাইতে বেশি সংখ্যক মানুষ যেই পত্রিকা পরে, দেশের শীর্ষস্থানীয় পত্রিকাগুলোতেও মাঝে মাঝেই এইরকম কিছু ভিত্তিহীন কথাবার্তা ছাপা হয়। কিন্তু একটু পড়ালেখা করলেই জানা যায়, লেখাগুলো একেবারেই ভিত্তিহীন এবং বানানো। ছোটবেলা শুনতাম নীল আর্মস্ট্রং নাকি মুসলমান হয়েছে, বড় হয়ে পড়ালেখা করে জানা গেল, সেটা ছিল একদমই মিথ্যা কথা। এরকম হাজারও গালগপ্প আমাদের শহরে গ্রামের মানুষ আজও বলে বেড়ায়, এবং রীতিমত বিশ্বাস করে।

সেই ছোটবেলা থেকেই এইসব কথা রীতিমত ওয়াজ মাহফিলে শুনে শুনে বড় হয়েছি। ছোটবেলা থেকে শুনেছি আল্লামা সাইদীর কাছে নাকি ডেইলি হাজার হাজার হিন্দু এসে ইসলাম গ্রহণ করে। অবাক হয়ে ভাবতাম, তাহলে এতদিনে তো এই দেশের সব হিন্দুর মুসলিম হয়ে যাওয়ার কথা ছিল! আবার একবার এক ওয়াজে শুনলাম, বিজ্ঞানী আইনস্টাইন নাকি কোরানের, ইসলামের ভূয়সী প্রশংসা করতেন। সে কথা শুনে প্রশ্ন জাগলো, তাহলে বিজ্ঞানী আইনস্টাইন কেন ইসলাম গ্রহণ করলেন না? তিনি যদি এতই কোরানের বা ইসলামের মাহাত্ম্য বুঝে গিয়ে থাকেন, উনার তো উচিত সাথে সাথে ইসলাম গ্রহণ করে ফেলা। কি অদ্ভুত কাণ্ড! লোকটা আহাম্মক নাকি?

একটু বড় হওয়ার পরে একদিন শুনলাম, বিল ক্লিনটন বাঙলাদেশ সফরে এসেছেন। এসে বাঙলাদেশের খুব প্রশংসা করে গেছেন। উন্নত দেশের সভ্য ভদ্র লোকেরা এদেশে বেড়াতে আসলে সকলেই এরকম কিছু প্রশংসা করবেনই বটে। এটাকে বলা হয় ডিপ্লোমেটিক কার্টেসি বা বক্তব্য। আসলে সেই কথাগুলো আক্ষরিকভাবে নেয়া যাবে না। বাঙলাদেশকে আসলে আমেরিকার মত দেশ ফকিন্নির দেশ বলেই মনে করে। সেটা তো আর মুখে বলা যায় না। বিল ক্লিনটনের যদি এতই বাঙলাদেশ ভাল লেগে থাকতো, তিনি কী আর আমেরিকায় ফিরে যেতেন? তিনি বাঙলাদেশের নাগরিকত্ব নিয়ে এদেশেই তো থেকে যেতে পারতেন, নাকি?

তখন বুঝলাম, এই ধরণের কথা দুই পদের হয়। এক হচ্ছে, এরকম ডিপ্লোম্যাটিক কথা, আরেক হচ্ছে রূঢ় সত্য কথা। যেমন হেনরি কিসিঞ্জার বাঙলাদেশকে তলা বিহীন ঝুড়ি বলেছিলেন। তিনি সেই সময় সঠিকই বলেছিলেন। সেই সময়ে বাঙলাদেশ যত সাহায্যই আনতো, সবই আওয়ামী চোরচোট্টারা মিলে মিশে হজম করে ফেলতো। সেই সময়ে বাঙলাদেশ আসলেই তলাবিহীন ঝুড়িই ছিল। যাইহোক, সেসব নিয়ে পরে আলাপ করা যাবে।

এখন ধরুন,  কাল যদি হুট করে একটি ইন্টারভিউতে এমনকি ডোনাল্ড ট্রাম্পকেও কেউ মুহাম্মদ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে, ট্রাম্প মুহাম্মদ সম্পর্কে হয়তো কিছুই জানে না, কিন্তু সে মুহাম্মদের ভূয়সী প্রশংসা করবে, এটা হলপ করেই বলে দেয়া যায়। কারণ হচ্ছে, পলিটিক্যালি কারেক্টনেস। এই ধরণের কথায় কিছু লোকজন খুশি থাকে। সত্য মিথ্যা কী, তা দিয়ে কিছু যায় আসে না। মুহাম্মদ যদি ট্রাম্পের এত পছন্দেরই হয়ে থাকে, তাহলে সে ইসলাম কবুল করছে না কেন? চিন্তার বিষয়।

তাহলে এইসকল ডিপ্লোমেটিক বক্তব্যের আড়ালে আসলে জানা দরকার, ইসলাম বা মুহাম্মদ সম্পর্কে আসলে বিজ্ঞানী, দার্শনিক, সমাজবিজ্ঞানী কিংবা বিখ্যাত ব্যক্তিগণ কী ভাবতেন। বা ভাবেন। আসুন দেখাই যাক।

মহানচিকিৎসক, চিকিৎসাবিজ্ঞানী, দার্শনিক ও রসায়নবিদ আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে জাকারিয়া আল-রাজিঃ 

একজন ধর্মবিশ্বাসীকে (বিশেষত ইসলামে) তাঁর ধর্মের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেই, সে জ্বলে ওঠে, রেগে যায় এবং যারাই প্রশ্ন করে তাদের রক্তপাত করতে উদ্যত হয়। তারা যৌক্তিক পর্যালোচনাকে বাধা দেয়, এবং তাদের প্রতিপক্ষকে হত্যা করতে উদ্যোত হয়। এই কারনেই সত্য একদমই চুপ হয়ে যায়, এবং গোপন থেকে যায়। [অনুবাদঃ লেখক] If the people of this religion [Islam] are asked about the proof for the soundness of their religion, they flare up, get angry and spill the blood of whoever confronts them with this question. They forbid rational speculation, and strive to kill their adversaries. This is why truth became thoroughly silenced and concealed.

তোমরা দাবী করো যে অলৌকিক ঘটনা সত্য এবং উপস্থিত, যেমন, কোরান। তোমরা বলো,  “যারা একে মানে না, তারা অনুরূপ একটি লিখে দেখাক।” প্রকৃতপক্ষে, আমরা এরকম হাজারো অনুরূপ, অলঙ্কারিক বাক্যসমূহ রচনা করতে সক্ষম, যথাযথ বাক্যবাগীশ বক্তা এবংনির্ভীক কবিদের কাজই তো সেটা;  যা আরো অনেক উপযুক্তভাবে রচিত এবং আরো অনেক অভেদ্যভাবে বিষয়কে ব্যাখ্যা করতে সক্ষম। সেগুলো আরো ভাল অর্থ বহন করে এবং সেগুলো আরো বেশি মিলযুক্ত গদ্য হিসেবেও উন্নত মানের ….  ঈশ্বরের পক্ষে তোমরা যা বলো, তা আমাদের বিস্ময়বিহ্বল করে! তোমরা বলছো সেই কেতাবের কথা যা কিছু প্রাচীন উপকথাকে বর্ণনা করে, এবং যা পরস্পরবিরোধী অসঙ্গতিপূর্ণ এবং যার কোন কোন সত্যিকারের উপযোগ বা ব্যাখ্যা নেই তার কথা। তারপরেও তোমরা আবারো বলবে, ” অনুরূপ কিছু একটি লিখে দেখাও?!” [অনুবাদঃ লেখক] You claim that the evidentiary miracle is present and available, namely, the Koran. You say: “Whoever denies it, let him produce a similar one.” Indeed, we shall produce a thousand similar, from the works of rhetoricians, eloquent speakers and valiant poets, which are more appropriately phrased and state the issues more succinctly. They convey the meaning better and their rhymed prose is in better meter. … By God what you say astonishes us! You are talking about a work which recounts ancient myths, and which at the same time is full of contradictions and does not contain any useful information or explanation. Then you say: “Produce something like it”?!

সূত্রঃ Jennifer Michael Hecht – Doubt: A History: The Great Doubters and Their Legacy of Innovation from Socrates and Jesus to Thomas Jefferson and Emily Dickinson (pg. 227-230) – HarperOne, September 7, 2004, ISBN 9780060097950

গিয়াসউদিন আবুল‌ ফাতেহ ওমর ইবনে ইব্রাহিম আল-খৈয়াম নিশাপুরিঃ  ইরানের বিখ্যাত কবি, গণিতবেত্তা, দার্শনিক ও জ্যোতির্বিদ।

ওমর খৈয়াম(১০৪৮ – ১১৩১) লিখেছেনঃ

“ধর্ম সুরায় মদ্যপদের মাদ্রাসাগুলো যদি শিক্ষা কেন্দ্র হতো
যেখানে এপিকিউরাস, এরিস্টেটল আর প্লেটোর দর্শন শেখানো হতো,
যদি পীরদের মাজারগুলোকে গবেষণা কেন্দ্রে পরিণত করা যেত,
যদি মানুষ ধর্মে অন্ধ বিশ্বাসের পরিবর্তে বিবেক লালন করতো,
যদি সকল ধর্মীয় উপাসনালয়গুলোকে বিদ্যালয়ে পরিণত করা যেত,
যেখানে ধর্মের পরিবর্তে মানুষ শিখতো অংক – বীজগণিত,
যদি বিজ্ঞান প্রতিস্থাপিত করতো সকল অন্ধ ধর্ম-বিশ্বাসকে,
যেই ধর্ম মানুষে মানুষে বিভেদ সৃষ্টি করে,
সেই ধর্মকে প্রতিস্থাপন করা হতো মানবতাবোধ দিয়ে,
তাহলে পৃথিবী নিঃসন্দেহে স্বর্গে পরিণত হতো”
[ অনুবাদঃ সংগ্রহ ]

 

দান্তে আলিগিয়েরির ডিভাইন কমেডির দৃশ্যঃ মুহাম্মদ ও আলী নরকে নির্যাতিত হচ্ছে।

 

 

কার্ল মার্ক্সঃ কোরআন পৃথিবীকে ইসলামে বিশ্বাসী এবং ইসলামে অবিশ্বাসী, মুসলমান এবং কাফের, এই দুই ভাগে বিভক্ত করে। ইসলামে অবিশ্বাসীরা হচ্ছে ‘হারবাই’, যাকে বলে শত্রু। ইসলাম কাফের জাতিসমূহকে তাচ্ছিল্য করে এবং ঘৃণা করে, যা মুসলমান এবং কাফেরদের মধ্যে চিরস্থায়ী শত্রুতাপুর্ণ মনোভাব সৃষ্টি করে।

– কার্ল মার্ক্স।

Der Koran teilt die Welt in Gläubige und Ungläubige. Der Ungläubige ist “harby”, das heisst der Feind. Der Islam ächtet die Nationen der Ungläubigen und schafft einen Zustand permanenter Feindschaft zwischen Muslimen und Ungläubigen.
– Karl Marx (1883)

 

সূত্রঃ The declaration of war – History of the Eastern Question, Marx-Engels Collected Works, vol 10, p 170.

 

 

 

ভলতেয়ার

কোরান শিক্ষা দেয় ভয়, ঘৃণা এবং অন্যকে অবজ্ঞার, হত্যার, এই শয়তানের ধর্মটি প্রচার এবং সংরক্ষণের জন্য। এটা নারীর সম্পর্কে অত্যন্ত অবমাননামূলক ধারণা দেয়, মানুষকে শ্রেণীতে বিভক্ত করে, এবং রক্তের দাবী জানায়, আরও আরও রক্তের।
– ভলতেয়ার

“The Koran teaches fear, hate, contempt for others, murder as a legitimate means of spreading and preserving this satanic religion; it speaks badly of women, divides people by class, demands blood and more blood.”
– Voltaire

বলেছেন আরো ভয়াবহ কথা,
But that a camel-merchant [Muhammad] should stir up insurrection in his village; that in league with some miserable followers he persuades them that he talks with the angel Gabriel; that he boasts of having been carried to heaven, where he received in part this unintelligible book, each page of which makes common sense shudder; that, to pay homage to this book, he delivers his country to iron and flame; that he cuts the throats of fathers and kidnaps daughters; that he gives to the defeated the choice of his religion or death: this is assuredly nothing any man can excuse, at least if he was not born a Turk, or if superstition has not extinguished all natural light in him.

Most blessed Father [Pope Benedict XIV]— Your holiness will pardon the liberty taken by one of the lowest of the faithful, though a zealous admirer of virtue, of submitting to the head of the true religion this performance [“Fanaticism, or Mahomet”], written in opposition to the founder of a false and barbarous sect. To whom could I with more propriety inscribe a satire on the cruelty and errors of a false prophet, than to the vicar and representative of a God of truth and mercy? Your holiness will therefore give me leave to lay at your feet both the piece and the author of it, and humbly to request your protection of the one, and your benediction upon the other; in hopes of which, with the profoundest reverence, I kiss your sacred feet.

সূত্রঃ

  1. François-Marie Arouet, Letter to Frederick II of Prussia, December 1740, referring to Muhammad
  2. François-Marie Arouet, Letter to Benedict XIV, written in Paris on August 17, 1745

উইন্সটোন চার্চিল

How dreadful are the curses which Mohammedanism lays on its votaries! Besides the fanatical frenzy, which is as dangerous in a man as hydrophobia in a dog, there is this fearful fatalistic apathy. The effects are apparent in many countries. Improvident habits, slovenly systems of agriculture, sluggish methods of commerce, and insecurity of property exist wherever the followers of the Prophet rule or live. A degraded sensualism deprives this life of its grace and refinement; the next of its dignity and sanctity.

The fact that in Mohammedan law every woman must belong to some man as his absolute property, either as a child, a wife, or a concubine, must delay the final extinction of slavery until the faith of Islam has ceased to be a great power among men. Individual Moslems may show splendid qualities – but the influence of the religion paralyses the social development of those who follow it. No stronger retrograde force exists in the world. Far from being moribund, Mohammedanism is a militant and proselytizing faith. It has already spread throughout Central Africa, raising fearless warriors at every step; and were it not that Christianity is sheltered in the strong arms of science, the science against which it had vainly struggled, the civilisation of modern Europe might fall, as fell the civilisation of ancient Rome.

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 

একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যার ফলে এটি প্রায় হিন্দু-মুসলিম ঐক্য প্রায় অসম্ভব করে তুলেছে তা হচ্ছে, একজন মুসলিম কোনো একটি দেশ সম্পর্কে তাদের পুরো দেশপ্রেম উজাড় করে দিতে পারে না। আমি খোলামেলাভাবে অনেক মুসলিমকে জিজ্ঞেস করেছি, যদি কোন মুসলিম আগ্রাসী শক্তি ভারত আক্রমণ করে, তখন তারা তাদের হিন্দু প্রতিবেশীদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সেই আগ্রাসী বাহিনীর মোকাবেলা করবে, নাকি সেই আগ্রাসী বাহিনীর দলে যোগ দেবে? আমি তাদের উত্তরে সন্তুষ্ট হই নি। এমনকি, মি. মোহাম্মদ আলীর মত মানুষ যিনি ঘোষণা দিয়েছেন, যেকোন অবস্থাতেই, এমনকি তার নিজের দেশের ব্যাপারে হলেও, কখনই একজন মুসলমান মুসলিম উম্মাহর বিরুদ্ধে দাঁড়াতে পারবে না।

A very important factor which is making it almost impossible for Hindu-Muslim unity to become an accomplished fact is that the Muslim can not confine their patriotism to any one country. I had frankly asked the Muslims whether in the event of any Mohammedan power invading India, would they [Muslims] stand side by side with their Hindu neighbors to defend their common land or join the invaders. I was not satisfied with the reply I have obtained from them… Even such a man as Mr. Mohammed Ali has declared that under no circumstances is it permissible for any Mohammedan, whatever be his country, to stand against any Mohammedan.

সূত্রঃ Interview of Rabindranath, “Through Indian Eyes on the Post Khilafat Hindu Muslim Riots”, Times of India, April 18, 1924

 

সালমান রুশদি 

Of course this is “about Islam.” The question is, what exactly does that mean? After all, most religious belief isn’t very theological. Most Muslims are not profound Koranic analysts. For a vast number of “believing” Muslim men, “Islam” stands, in a jumbled, half-examined way, not only for the fear of God — the fear more than the love, one suspects — but also for a cluster of customs, opinions and prejudices that include their dietary practices; the sequestration or near-sequestration of “their” women; the sermons delivered by their mullahs of choice; a loathing of modern society in general, riddled as it is with music, godlessness and sex; and a more particularized loathing (and fear) of the prospect that their own immediate surroundings could be taken over — “Westoxicated” — by the liberal Western-style way of life.

বার্ট্রান্ড রাসেল 

Bolshevism combines the characteristics of the French Revolution with those of the rise of Islam… Those who accept Bolshevism become impervious to scientific evidence, and commit intellectual suicide. Even if all the doctrines of Bolshevism were true, this would still be the case, since no unbiased examination of them is tolerated…Among religions, Bolshevism is to be reckoned with Mohammedanism rather than with Christianity and Buddhism. Christianity and Buddhism are primarily personal religions, with mystical doctrines and a love of contemplation. Mohammedanism and Bolshevism are practical, social, unspiritual, concerned to win the empire of the world.


Rivalry is a much stronger motive. Over and over again in Mohammedan history, dynasties have come to grief because the sons of a sultan by different mothers could not agree, and in the resulting civil war universal ruin resulted… The world would be a happier place than it is if acquisitiveness were always stronger than rivalry. But in fact, a great many men will cheerfully face impoverishment if they can thereby secure complete ruin for their rivals.
Immediately after his death the conquests began, and they proceeded with rapidity… Westward expansion (except in Sicily and Southern Italy) was brought to a standstill by the defeat of the Mohammedans at the battle of Tours in 732, just one hundred years after the death of the Prophet… It was the duty of the faithful to conquer as much of the world as possible for Islam… The first conquests of the Arabs began as mere raids for plunder, and only turned into permanent occupation after experience has shown the weakness of the enemy… The Arabs, although they conquered a great part of the world in the name of a new religion were not a very religious race; the motive of their conquests was plunder and wealth rather than religion.

The beliefs appropriate to the impulse of aggression may be seen in Bernhardi, or in the early Mohammedan conquerors, or, in full perfection, in the Book of Joshua. There is first of all a conviction of the superior excellence of one’s own group, a certainty that they are in some sense the chosen people. This justifies the feeling that only the good and evil of one’s own group is of real importance, and that the rest of the world is to be regarded merely as material for the triumph or salvation of the higher race. In modern politics this attitude is embodied in imperialism.

মোস্তফা কামাল আতাতুর্ক

ইসলাম- বর্বর অসভ্য বেদুইনদের এই দুর্বোধ্য ধর্মটি একটা পঁচা মৃতদেহের মত, যা আমাদের জীবনকে ক্রমশ বিষাক্ত করে তুলেছে।
– মোস্তফা কামাল আতাতুর্ক

Islam — this abstruse theology of an immoral Bedouin — is a rotting corpse which is poisoning our lives.
– Mustafa Kemal Atatürk

মার্ক টোয়েইন

এমনকি, সবচাইতে সামান্যতম বিষয়কে ইসলামী সংজ্ঞায়নের মাধ্যমে প্রতিস্থাপন করার মধ্যে দিয়েই ইসলামকে বোঝা যায়, কীভাবে তা মুসলমানদের মধ্যে স্বাধীন চিন্তার শেষ ফোঁটা প্রতিস্থাপিত করে নির্বোধ দাসত্ব সৃষ্টি করে। অবাক হবার কিছু নেই, মুহাম্মদের অনুসারীরা মানসিক বিকারগ্রস্থই হবে।
– মার্ক টোয়েইন

“…the emphasis placed on defining even the most minuscule details for a Muslim to follow serve as a tremendous example of how Islam thrives on replacing every last iota of independent thought with mindless servitude.”
“no wonder Mohammedans are insane.”
– Mark Twain (Samuel Langhorne Clemens)

এডলফ হিটলার

এদের মধ্যে একমাত্র হিটলারই বুঝতে পেরেছিলেন ইসলামের মাহাত্ম্য! প্রকাশ করেছিলেন ইসলামের প্রতি তার প্রেম। তার ভালবাসা। সে বলেছে,

-দেখো, দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমাদের ভুল ধর্মটি রয়েছে। আমাদের কেন জাপানিদের ধর্মটি নেই? যেই ধর্মে দেশের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারের নিয়ম আছে? খ্রিষ্ট ধর্মের চাইতে মুহাম্মদের ধর্মটাও আমাদের জন্য যথার্থ ছিল। কেন আমাদের এত বিনয়ী এবং দুর্বলতার সাথে খ্রিস্টান হতে হবে?
এডলফ হিটলার

“You see, it’s been our misfortune to have the wrong religion. Why didn’t we have the religion of the Japanese, who regard sacrifice for the Fatherland as the highest good? The Mohammedan religion too would have been more compatible to us than Christianity. Why did it have to be Christianity with its meekness and flabbiness?”
– Adolf Hitler

 

 

প্রাসঙ্গিক লেখা-

Facebook Comments
%d bloggers like this: