অমুসলিমরা সৃষ্টির নিকৃষ্ট জীব – কুরআন

মুসলিমরা সবসময়ই প্রচার করে এসেছেন যে ইসলাম শান্তির ধর্ম। সাধারণ মুসলিমরা বিশ্বাস করেন যে ইসলাম সম্প্রীতির কথা বলে, ঘৃণা করতে শেখায় না। তারা মনে প্রাণে বিশ্বাস করেন, ইসলাম কারো প্রতি বিন্দু মাত্র অবিচার করে না। একজন মুসলিম হিসেবে তাদেরকে এমন বিশ্বাস ধারণ করতেই হয়, কেননা একজন মুসলিম হিসেবে আপনি এমনটা কখনোই বিশ্বাস করবেন না যে ইসলাম কোনোভাবে কারো প্রতি অবিচার করে। ইসলামের প্রকৃত রূপ কি এমনই? না, অবশ্যই না। আসুন দেখে নিই, ইসলাম তাদেরকে কেমন দৃষ্টিতে দেখে যারা ইসলামে বিশ্বাস করে না। আসুন দেখি, কুরআন মুসলিমদেরকে অমুসলিমদের প্রতি কেমন মনোভাব রাখার শিক্ষা দেয়। তাহলেই আমরা বুঝতে পারবো ইসলাম আসলেই শান্তির ধর্ম নাকি জঘন্য একটি ধর্ম।

অমুসলিমরা নির্বোধ

2:171

وَ مَثَلُ الَّذِیۡنَ کَفَرُوۡا کَمَثَلِ الَّذِیۡ یَنۡعِقُ بِمَا لَا یَسۡمَعُ اِلَّا دُعَآءً  وَّ  نِدَآءً ؕ صُمٌّۢ  بُکۡمٌ عُمۡیٌ  فَہُمۡ  لَا  یَعۡقِلُوۡنَ ﴿۱۷۱﴾

English – Sahih International

The example of those who disbelieve is like that of one who shouts at what hears nothing but calls and cries cattle or sheep – deaf, dumb and blind, so they do not understand.

Bengali – Bayaan Foundation

আর যারা কুফরী করেছে তাদের উদাহরণ তার মত, যে এমন কিছুর জন্য চিৎকার করছে, হাঁক-ডাক ছাড়া যে কিছু শোনে না। তারা বধির, বোবা, অন্ধ। তাই তারা বুঝে না।

Bengali – Mujibur Rahman

আর যারা অবিশ্বাস করেছে তাদের দৃষ্টান্ত ওদের ন্যায় – যেমন কেহ আহবান করলে শুধু চীৎকার ও ধ্বনি ব্যতীত আর কিছুই শোনেনা, তারা বধির, মুক, অন্ধ; কাজেই তারা বুঝতে পারেনা।

তাফসীর

অর্থাৎ কাফির ও মুশরিকদেরকে যখন বলা হয় যে, তারা যেন আল্লাহর কিতাব ও রাসূল (সঃ)-এর সুন্নাতের অনুসরণ এবং নিজেদের ভ্রষ্টতা ও অজ্ঞতাকে পরিত্যাগ করে, তখন তারা বলে যে, তারা তাদের বড়দের পথ ধরে রয়েছে। তাদের পিতৃপুরুষ যাদের পূজা অর্চনা করতো তারাও তাদের উপাসনা করছে এবং করতে থাকবে। তাদের উত্তরেই কুরআন ঘোষণা করছে যে, তাদের পিতৃপুরুষদের কোন জ্ঞান ছিল না এবং তারা সুপথগামী ছিল না। এই আয়াতটি ইয়াহূদীদের সম্বন্ধে অবতীর্ণ হয়েছিল। তাদের দৃষ্টান্ত পেশ করছেন যে, যেমন মাঠে বিচরণকারী জন্তুগুলো রাখালের কথা সঠিকভাবে বুঝতে পারে না, শুধুমাত্র শব্দই ওদের কানে পৌঁছে থাকে এবং ওরা কথার ভাল ও মন্দ সম্বন্ধে সম্পূর্ণ রূপে অজ্ঞাত থাকে, এইসব লোকের অবস্থা ঠিক তদ্রূপ। এই আয়াতের ভাবার্থ এও হতে পারে যে, আল্লাহ তাআলাকে ছেড়ে এরা যাদের পূজা করে থাকে এবং তাদের প্রয়োজন ও মনস্কামনা পূর্ণ করার প্রার্থনা জানিয়ে থাকে তারা এদের কথা শুনতে পায়, না জানতে পারে, না দেখতে পায়। তাদের মধ্যে না আছে জীবন, না আছে কোন অনুভূতি। কাফিরদের এই দলটি সত্য কথা শুনা হতে বধির, বলা হতে বোবা, সত্য পথে চলা হতে অন্ধ এবং সত্যের অনুধাবন হতেও এরা বহু দূরে রয়েছে। যেমন অন্য স্থানে আল্লাহ তা’আলা বলেছেনঃ ‘আমার আয়াতসমূহে অবিশ্বাসকারীরা বধির, বোবা, তারা অন্ধকারের মধ্যে রয়েছে, আল্লাহ যাকে চান পথভ্রষ্ট করেন এবং যাকে চান সরল ও সঠিক পথ প্রদর্শন করেন।

কুরআন ২:১৭০-১৭১

তাফসীর ইবনে কাসির

অমুসলিমরা খারাপ

2:254

یٰۤاَیُّہَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡۤا اَنۡفِقُوۡا مِمَّا رَزَقۡنٰکُمۡ مِّنۡ قَبۡلِ اَنۡ یَّاۡتِیَ یَوۡمٌ لَّا بَیۡعٌ فِیۡہِ وَ لَا خُلَّۃٌ وَّ لَا شَفَاعَۃٌ ؕ وَ الۡکٰفِرُوۡنَ ہُمُ  الظّٰلِمُوۡنَ ﴿۲۵۴﴾

English – Sahih International

O you who have believed, spend from that which We have provided for you before there comes a Day in which there is no exchange and no friendship and no intercession. And the disbelievers – they are the wrongdoers.

Bengali – Bayaan Foundation

হে মুমিনগণ, আমি তোমাদেরকে যে রিজিক দিয়েছি তা হতে ব্যয় কর, সে দিন আসার পূর্বে, যে দিন থাকবে না কোন-বেচাকেনা, না কোন বন্ধুত্ব এবং না কোন সুপারিশ। আর কাফিররাই যালিম।

Bengali – Mujibur Rahman

হে বিশ্বাসীগণ! আমি তোমাদেরকে যে জীবনোপকরণ দান করেছি তা হতে সেদিন সমাগত হওয়ার পূর্বে ব্যয় কর যেদিন ক্রয়-বিক্রয়, বন্ধুত্ব ও সুপারিশ নেই, আর অবিশ্বাসীরাই অত্যাচারী।

তাফসীর

আল্লাহ তা’আলা তাঁর বান্দাদেরকে নির্দেশ দিচ্ছেন যে, তারা যেন সুপথে নিজেদের মাল খরচ করে, তাহলে আল্লাহর নিকট তার পুণ্য জমা থাকবে। অতঃপর বলেন যে, তারা যেন তাদের জীবদ্দশাতেই কিছু দান-খয়রাত করে। কেননা কিয়ামতের দিন না ক্রয়-বিক্রয় চলবে, না পৃথিবী পরিমাণ সোনা দিয়ে জীবন রক্ষা করা যাবে না কারও বংশ, বন্ধুত্ব ও ভালবাসা কোন কাজে আসবে। যেমন অন্য জায়গায় রয়েছেঃ (আরবি) অর্থাৎ যখন শিঙ্গায় ফুঁ দেয়া হবে সে দিন না তাদের মধ্যে বংশ পরিচয় থাকবে, না একে অপরের অবস্থা জিজ্ঞাসাবাদ করবে।’ (২৩:১০১) সেদিন সুপারিশকারীর সুপারিশ কোন কাজে আসবে না।

অতঃপর আল্লাহ তা’আলা বলেন যে, কাফিরেরাই অত্যাচারী। অর্থাৎ পূর্ণ অত্যাচারী তারাই যারা কুফরের অবস্থাতেই আল্লাহ তা’আলার সাথে সাক্ষাৎ করে। হযরত আতা বিন দীনার (রঃ) বলেন, “আমি মহান আল্লাহর নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি যে, তিনি কাফিরদেরকে অত্যাচারী বলেছেন কিন্তু অত্যাচারীদেরকে কাফির বলেননি।

কুরআন ২:২৫৪

তাফসীর ইবনে কাসির

62:5

مَثَلُ  الَّذِیۡنَ حُمِّلُوا  التَّوۡرٰىۃَ  ثُمَّ  لَمۡ یَحۡمِلُوۡہَا کَمَثَلِ  الۡحِمَارِ یَحۡمِلُ اَسۡفَارًا ؕ بِئۡسَ مَثَلُ  الۡقَوۡمِ الَّذِیۡنَ کَذَّبُوۡا بِاٰیٰتِ اللّٰہِ ؕ وَ اللّٰہُ  لَا یَہۡدِی الۡقَوۡمَ  الظّٰلِمِیۡنَ ﴿۵﴾

English – Sahih International

The example of those who were entrusted with the Torah and then did not take it on is like that of a donkey who carries volumes [of books]. Wretched is the example of the people who deny the signs of Allah . And Allah does not guide the wrongdoing people.

Bengali – Bayaan Foundation

যাদেরকে তাওরাতের দায়িত্বভার দেয়া হয়েছিল তারপর তারা তা বহন করেনি, তারা গাধার মত! যে বহু কিতাবের বোঝা বহন করে। সে সম্প্রদায়ের উপমা কতইনা নিকৃষ্ট, যারা আল্লাহর আয়াতসমূহকে অস্বীকার করে। আর আল্লাহ যালিম সম্প্রদায়কে হিদায়াত করেন না।

Bengali – Mujibur Rahman

যাদেরকে তাওরাতের দায়িত্বভার অর্পণ করা হয়েছিল, অতঃপর তা তারা বহন করেনি, তাদের দৃষ্টান্ত পুস্তক বহনকারী গর্দভ। কত নিকৃষ্ট সেই সম্প্রদায়ের দৃষ্টান্ত যারা আল্লাহর আয়াতকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করে। আল্লাহ ফাসিক/পাপাচারী সম্প্রদায়কে পথপ্রদর্শন করেন না।

তাফসীর

এই আয়াতগুলোতে ইয়াহূদীদেরকে নিন্দে করা হচ্ছে যে, তাদেরকে তাওরাত প্রদান করা হয় এবং আমল করার জন্যে তারা তা গ্রহণ করে, কিন্তু আমল করেনি। ঘোষিত হচ্ছে যে, তাদের দৃষ্টান্ত হচ্ছে পুস্তক বহনকারী গর্দভ। যদি গর্দভের উপর কিতাবের বোঝা চাপিয়ে দেয়া হয় তবে সে তো এটা বুঝতে পারবে যে, তার উপর বোঝা রয়েছে, কিন্তু কি বোঝা রয়েছে তা সে মোটেই বুঝতে পারবে না। অনুরূপভাবে এই ইয়াহূদীরা বাহ্যিকভাবে তো তাওরাতের শব্দগুলো মুখে উচ্চারণ করছে, কিন্তু মতলব কিছুই বুঝে না। এর উপর তারা আমল তো করেই না, এমন কি একে পরিবর্তন পরিবর্ধন করে ফেলছে। সুতরাং প্রকতপক্ষে তারা এ নির্বোধ ও অবুঝ জন্তুর চেয়েও নিকৃষ্ট। কেননা, মহান আল্লাহ এদেরকে বোধশক্তিই দান করেননি। কিন্তু এ লোকগুলোকে তো তিনি বোধশক্তি দিয়েছেন, অথচ তারা তা ব্যবহার করে না ও কাজে লাগায় না। এ জন্যেই অন্য আয়াতে বলেছেনঃ “তারা চতুষ্পদ জন্তুর মত, বরং তাদের চেয়েও নিকৃষ্ট! তারাই গাফিল।” (৭:১৭৯)

এখানে বলা হচ্ছে যে, যারা আল্লাহর আয়াতসমূহকে অবিশ্বাস করে ও মিথ্যা প্রতিপন্ন করে তাদের দৃষ্টান্ত কতই না নিকৃষ্ট। তারা অত্যাচারী এবং আল্লাহ তা’আলা অত্যাচারী সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।

কুরআন ৬২:৫-৮

তাফসীর ইবনে কাসির

অমুসলিমরা পশুর মতো

25:44

اَمۡ  تَحۡسَبُ اَنَّ  اَکۡثَرَہُمۡ  یَسۡمَعُوۡنَ  اَوۡ یَعۡقِلُوۡنَ ؕ اِنۡ  ہُمۡ   اِلَّا  کَالۡاَنۡعَامِ  بَلۡ ہُمۡ اَضَلُّ  سَبِیۡلًا ﴿٪۴۴﴾

English – Sahih International

Or do you think that most of them hear or reason? They are not except like livestock. Rather, they are [even] more astray in [their] way.

Bengali – Bayaan Foundation

তুমি কি মনে কর যে, তাদের অধিকাংশ লোক শোনে অথবা বুঝে? তারা কেবল পশুদের মতো; বরং তারা আরো অধিক পথভ্রষ্ট।

Bengali – Mujibur Rahman

তুমি কি মনে কর যে, তাদের অধিকাংশ শোনে ও বুঝে? তারাতো পশুরই মত; বরং তারা আরও অধম।

তাফসীর

এরপর আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ তুমি কি দেখো না যে, তাদের অধিকাংশ শুনে ও বুঝে? তারা তো পশুরই মত; তারা আরো অধম। অর্থাৎ তাদের অবস্থা বিচরণকারী পশুর চেয়েও খারাপ। কারণ পশুরা ঐ কাজই করে যে কাজের জন্যে ওগুলোকে সৃষ্টি করা হয়েছে। আর এই মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছে এক শরীক বিহীন আল্লাহর ইবাদতের জন্যে। কিন্তু তারা তা পালন করেনি। বরং তারা তাকে বাদ দিয়ে অন্যের ইবাদত করে এবং তাদের কাছে দলীল প্রমাণাদি কায়েম হওয়া এবং তাদের নিকট রাসূলদেরকে প্রেরণ করা সত্ত্বেও তারা তাঁর সাথে শরীক স্থাপন করে।

কুরআন ২৫:৪৪

তাফসীর ইবনে কাসির

অমুসলিমরা নাপাক

9:28

یٰۤاَیُّہَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡۤا اِنَّمَا الۡمُشۡرِکُوۡنَ نَجَسٌ فَلَا یَقۡرَبُوا الۡمَسۡجِدَ الۡحَرَامَ بَعۡدَ عَامِہِمۡ ہٰذَا ۚ وَ اِنۡ خِفۡتُمۡ عَیۡلَۃً فَسَوۡفَ یُغۡنِیۡکُمُ اللّٰہُ مِنۡ فَضۡلِہٖۤ  اِنۡ شَآءَ ؕ اِنَّ  اللّٰہَ  عَلِیۡمٌ  حَکِیۡمٌ ﴿۲۸﴾

English – Sahih International

O you who have believed, indeed the polytheists are unclean, so let them not approach al-Masjid al-Haram after this, their [final] year. And if you fear privation, Allah will enrich you from His bounty if He wills. Indeed, Allah is Knowing and Wise.

Bengali – Bayaan Foundation

হে ঈমানদারগণ, নিশ্চয় মুশরিকরা নাপাক, সুতরাং তারা যেন মসজিদুল হারামের নিকটবর্তী না হয় তাদের এ বছরের পর। আর যদি তোমরা দারিদ্র্যকে ভয় কর, তবে আল্লাহ চাইলে নিজ অনুগ্রহে তোমাদের অভাবমুক্ত করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ মহাজ্ঞানী, প্রজ্ঞাময়।

Bengali – Mujibur Rahman

হে মু’মিনগণ! মুশরিকরা হচ্ছে একেবারেই অপবিত্র, অতএব তারা যেন এ বছরের পর মাসজিদুল হারামের নিকটেও আসতে না পারে, আর যদি তোমরা দারিদ্রতার ভয় কর তাহলে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তোমাদেরকে অভাবমুক্ত করবেন, যদি তিনি চান। নিশ্চয়ই আল্লাহ অতিশয় জ্ঞানী, বড়ই হিকমাতওয়ালা।

তাফসীর

আল্লাহ তাআলা তাঁর পবিত্র দ্বীনের অনুসারী এবং পাক পবিত্র মুসলিম বান্দাদেরকে হুকুম করছেন যে, তারা যেন ধর্মের দিক থেকে অপবিত্র মুশরিকদেরকে বায়তুল্লাহর পাশে আসতে না দেয়। এই আয়াতটি নবম হিজরীতে অবতীর্ণ হয়। ঐ বছরই রাসূলুল্লাহ (সঃ) আলী (রাঃ)-কে আবু বকর (রাঃ) -এর সাথে প্রেরণ করেন এবং নির্দেশ দেনঃ “হজ্বের সমাবেশে ঘোষণা করে দাও যে, এ বছরের পরে কোন মুশরিক যেন হজ্ব করতে না আসে এবং কেউ যেন উলঙ্গ হয়ে বায়তুল্লাহ তাওয়াফ না করে। শরীয়তের এই হুকুমকে আল্লাহ তা’আলা এমনিতেই পূর্ণ করে দেন। সেখানে আর মুশরিকদের প্রবেশ লাভের সৌভাগ্য হয়নি এবং এরপরে উলঙ্গ অবস্থায় কেউ আল্লাহর ঘরের তাওয়াফও করেনি। জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রাঃ) গোলাম ও যিম্মী ব্যক্তিকে এই হুকুমের বহির্ভূত বলেছেন। মুসনাদে আহমাদে জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “এ বছরের পরে চুক্তিকৃতগণ ছাড়া এবং তাদের গোলামরা ছাড়া আর কেউই যেন আমাদের মসজিদে প্রবেশ না করে। কিন্তু এই মারফু হাদীস অপেক্ষা বেশী সহীহ সনদযুক্ত মাওকুফ রিওয়ায়াত রয়েছে।

মুসলিমদের খলীফা উমার ইবনে আবদুল আযীয (রঃ) ফরমান জারী করেছিলেনঃ “ইয়াহুদী ও খ্রীষ্টানদেরকে মুসলমানদের মসজিদে আসতে দিবে না।” এই আয়াতকে কেন্দ্র করেই তিনি এই নিষেধাজ্ঞা জারী করেছিলেন। আতা (রঃ) বলেন যে, সম্পূর্ণ হারাম শরীফই মসজিদুল হারামের অন্তর্ভুক্ত। মুশরিকরা যে অপবিত্র, এই আয়াতটিই এর দলীল। সহীহ হাদীসে রয়েছে যে, মুমিন অপবিত্র হয় না। বাকী থাকলো এই কথাটি যে মুশরিকদের দেহ ও সত্তাও কি অপবিত্র? এ ব্যাপারে জমহরের উক্তি এই যে, তাদের দেহ অপবিত্র নয়। কেননা আল্লাহ তা’আলা আহলে কিতাবের যবেহকৃত জন্তু হালাল করেছেন।

কুরআন ৯:২৮

তাফসীর ইবনে কাসির

অমুসলিমরা সৃষ্টির নিকৃষ্ট জীব

8:55

اِنَّ شَرَّ الدَّوَآبِّ عِنۡدَ اللّٰہِ الَّذِیۡنَ کَفَرُوۡا  فَہُمۡ  لَا  یُؤۡمِنُوۡنَ ﴿ۖۚ۵۵﴾

English – Sahih International

Indeed, the worst of living creatures in the sight of Allah are those who have disbelieved, and they will not [ever] believe –

Bengali – Bayaan Foundation

নিশ্চয় আল্লাহর নিকট সবচেয়ে নিকৃষ্ট প্রাণী তারা, যারা কুফরী করে, অতঃপর ঈমান আনে না।

Bengali – Mujibur Rahman

নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট নিকৃষ্ট জীব তারাই যারা কুফরী করে এবং যারা ঈমান আনেনা।

98:6

اِنَّ  الَّذِیۡنَ کَفَرُوۡا مِنۡ اَہۡلِ الۡکِتٰبِ وَ الۡمُشۡرِکِیۡنَ فِیۡ  نَارِ جَہَنَّمَ خٰلِدِیۡنَ فِیۡہَا ؕ اُولٰٓئِکَ ہُمۡ شَرُّ الۡبَرِیَّۃِ ؕ﴿۶﴾

English – Sahih International

Indeed, they who disbelieved among the People of the Scripture and the polytheists will be in the fire of Hell, abiding eternally therein. Those are the worst of creatures.

Bengali – Bayaan Foundation

নিশ্চয় কিতাবীদের মধ্যে যারা কুফরী করেছে ও মুশরিকরা, জাহান্নামের আগুনে থাকবে স্থায়ীভাবে। ওরাই হল নিকৃষ্ট সৃষ্টি।

Bengali – Mujibur Rahman

কিতাবীদের মধ্যে যারা কুফরী করে তারা এবং মুশরিকরা জাহান্নামের আগুনে স্থায়ীভাবে অবস্থান করবে; তারাই সৃষ্টির অধম।

তাফসীর

আল্লাহ তা’আলা কাফিরদের পরিণাম বর্ণনা করছেন যে, কাফির, ইয়াহুদী, নাসারা, মুশরিক, আরব ও অনারব যেই হোক না কেন যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (সঃ)-এর বিরোধ এবং আল্লাহর কিতাবকে অবিশ্বাস করে তারা কিয়ামতের দিন জাহান্নামের আগুনে নিক্ষিপ্ত হবে, সেখানেই তারা চিরকাল অবস্থান করবে। কোন অবস্থাতেই তারা সেখান থেকে ছাড়া বা রেহাই পাবে না। এরাই নিকৃষ্টতম সৃষ্টি।

কুরআন ৯৮:৬

তাফসীর ইবনে কাসির

মধ্যপন্থী মুসলিমরা সাধারণত কুরআনের অমুসলিমবিদ্বেষী আয়াত সমূহ দেখে বিব্রতবোধ করেন। কুরআনের অমুসলিমদের প্রতি ঘৃণা প্রকাশ করা, তাদেরকে নিয়ে কটুক্তি করা, গালি দেওয়া তারা মেনে নিতে পারেন না। এটা তাদের মধ্যে থাকা প্রচলিত ভুল ধারণার বিরুদ্ধে যায়। তারা নিজেদের মনকে বুঝ দিতে দাবি করেন, ‘এসকল আয়াতে সকল অমুসলিমদের নির্দেশ করে কিছু বলা হয়নি, বরং কেবল তাদের নির্দেশ করা হয়েছে যারা মুসলিমদের ওপর নির্যাতন নিপীড়ন চালিয়েছিল’। তাছাড়াও তাদের বহুল প্রচলিত অভিযোগ, ‘ইসলামের সমালোচকরা আসলে কোন আয়াত কোন সময়ে কোন প্রসঙ্গে কোন প্রেক্ষাপটে কেন নাজিল হয়েছিল তা জানে না বা এড়িয়ে যায়’। আমার মুসলিম ভাই-বোনদের বুঝতে হবে যে, যখন কাউকে কেবল অমুসলিম হওয়ার জন্য নির্বোধ কিংবা সৃষ্টির নিকৃষ্ট জীব বলা হবে তখন প্রসঙ্গ বা প্রেক্ষাপটের কোনো প্রশ্নই আসে না। আমি যদি কেবল মুসলিম হওয়ার কারণে কাউকে নির্বোধ বা সৃষ্টির নিকৃষ্ট জীব বলি, তাহলে এটা বুঝতে অন্তত মুসলিমদের অসুবিধা হবে না যে আমি পৃথিবীর সকল মুসলিমকেই নির্বোধ বা সৃষ্টির নিকৃষ্ট জীব বলেছি। কুরআনের যে আয়াতে অমুসলিমদের বধির, বোবা এবং অন্ধ বলা হয়েছে সেই আয়াত থেকে দেখা যায় যে, কেবলমাত্র অমুসলিম হওয়া বা ইসলামের প্রতি বিশ্বাস না থাকার কারণেই তাদেরকে এমনটা বলা হয়েছে। যে আয়াতে তাদেরকে জালিম বলা হয়েছে সেই আয়াত থেকে দেখা যায়, কেবলমাত্র কাফির হওয়াই তাদের ‘জালিম’ উপাধি পাওয়ার কারণ। যে আয়াতে তাদেরকে সৃষ্টির নিকৃষ্ট জীব বলা হয়েছে সেই আয়াত থেকে দেখা যায়, কেবলমাত্র কাফির হওয়ার কারণেই তাদেরকে এমনটা বলা হয়েছে। যারা মুসলিমদের ওপর নির্যাতন নিপীড়ন চালিয়েছিল তাদের বিরুদ্ধেই কেবল এসব শব্দ সমূহ প্রয়োগ করা হয়েছে এমন দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় না। প্রখ্যাত তাফসীরকারক ইবনে কাসিরের তাফসীর থেকে আমরা এমন কোনো তথ্য খুঁজে পাইনি যে, অমুসলিমদের মধ্যে যারা মুসলিমদের ওপর নির্যাতন নিপীড়ন চালিয়েছিল কেবল তাদেরকেই নির্বোধ বা সৃষ্টির নিকৃষ্ট জীব বলা হয়েছে।

যদি ধরেও নিই যে, সত্যিকার অর্থেই কুরআনে নির্বোধ বা সৃষ্টির নিকৃষ্ট জীব কেবল সেইসব অমুসলিমদেরকেই নির্দেশ করে বলা হয়েছে যারা মুসলিমদের ওপর নির্যাতন নিপীড়ন চালিয়েছিল, তারপরও একটা সমস্যা থেকে যায়। আমি ইসলামের সমালোচনা করি বলে কয়েকজন মুসলিম এসে যদি আমার ওপর হামলা চালায় আর আমি যদি প্রাণে বেঁচে গিয়ে পরবর্তীতে ঘৃণা প্রকাশ করে বলি, “মুসলিমরা সন্ত্রাস” বা “মুসলিমরা সৃষ্টির নিকৃষ্ট জীব”, তাহলে কি কাজটা ভালো হবে? অবশ্যই সেটা অত্যন্ত নিন্দনীয় একটা কাজ হবে। তাই কয়েকজন কাফের/মুশরিকের অপরাধের জন্য “অমুসলিমরা সৃষ্টির নিকৃষ্ট জীব” বা এজাতীয় কথা বলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং সেটা অত্যন্ত নিন্দনীয় কাজ।

তথাকথিত শান্তির ধর্মের শিক্ষা কি জঘন্য! ইসলাম ১৪০০ বছর ধরে মুসলিমদেরকে এই শিক্ষাই দিয়ে এসেছে যে, অমুসলিমরা পশুর মতো, অমুসলিমরা সৃষ্টির নিকৃষ্ট জীব। কুরআন অনুযায়ী, হিন্দু ধর্মে বিশ্বাসী একজন মানুষ নিজের রক্ত দিয়ে কোনো মুসলিমের জীবন বাঁচালেও সে পশুর চেয়ে অধম, সৃষ্টির নিকৃষ্ট জীব। কুরআন অনুযায়ী, খ্রিস্টান ধর্মে বিশ্বাসী একজন মানুষ সকল নির্যাতিত মুসলিমের পক্ষে লড়াই করলেও সে পশুর চেয়ে অধম, সৃষ্টির নিকৃষ্ট জীব। কারণ, তারা ইসলামে বিশ্বাস করে না। কুরআন অনুযায়ী, কেবলমাত্র, কাফের হওয়ার কারণে তারা সৃষ্টির সবচেয়ে নিকৃষ্ট জীব, নর্দমার কীটও তাদের চেয়ে ভালো। কুরআন একজন মুসলিমকে তার প্রতিবেশী হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টানদের ভালবাসতে শেখায় না, তাদের শ্রদ্ধা করতে শেখায় না, শেখায় তাদেরকে ঘৃণা করতে। কুরআন একজন মুসলিমকে তার অমুসলিম প্রতিবেশীদের ‘নর্দমার কীটের চেয়েও নীচু স্তরের প্রাণী’ ভাবতে শেখায়। দেশের অসংখ্য মাদ্রাসা থেকে অসংখ্য মাদ্রাসা শিক্ষার্থী অমুসলিমদের প্রতি এমন ঘৃণা নিয়েই বেড়ে ওঠে। সত্যিকারের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ গড়ে তুলতে বাংলাদেশ সরকারের উচিত মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা নিষিদ্ধ করা। এমন দেশকে আমরা কিভাবেই বা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ বলবো যে দেশে এমন শিক্ষাব্যবস্থার অস্তিত্ব আছে যে শিক্ষাব্যবস্থা শিক্ষার্থীদের ভিন্ন ধর্মের মানুষদের সৃষ্টির নিকৃষ্ট জীব ভেবে ঘৃণা করতে শেখায়?

Marufur Rahman Khan

Ex-Muslim Atheist - Feminist - Secularist

2 thoughts on “অমুসলিমরা সৃষ্টির নিকৃষ্ট জীব – কুরআন

  • August 17, 2019 at 9:14 am
    Permalink

    উপরের সব কিছু পড়ে এইটাই সহজেই অনুমান করা যায় , ইসলামিক মত (ধর্ম না ধর্মের সংজ্ঞা সতন্ত্র) হল মানবসভ্যতার অভিশাপ , যেখানে প্রেম প্রিতি , সহনশীলতা , মানবতা , সৃজনশিলতা নেই আছে শুধু হিংসা আর বিদ্বেষ বিষ , আর এই বিষ থেকে নিউটনের থার্ড ল সুত্র ধরে বিপরীত সম্প্রদায়ের মানুষকেও এন্টিডট মেডিসিন তৈরির কারখানা গড়ে তুলবে । কোরআন , হাদিস সহ বাকি ইসলামিক গ্রন্থ ভালো করে পড়ে অনুমান করলে কেউ ইসলাম ত্যাগ করবে নয় তো জেহাদি জঙ্গি হবেই ।

    Reply
  • August 24, 2019 at 6:40 pm
    Permalink

    প্রভু কৃষ্ণের ভন্ডামি part 2:
    (মামির যৌবনে পাগল কৃষ্ণ)
    মাউলানীর যৌবনে কাহ্নের মন। বিধুমুখে বোলেঁ কাহ্নাঞিঁ মধুর বচন॥ সম্বন্ধ না মানে কাহ্নাঞিঁ মোকে বোলেঁ শালী। লজ্জা দৃষ্টি হরিল ভাগিনা বনমালী ॥
    দেহ বৈরি হৈল মোকে এরুপ যৌবন। কাহ্ন লজ্জা হরিল দেখিআঁ মোর তন ॥ শ্রীকৃষ্ণ কীর্ত্তনের দানখন্ডঃ রামগিরীরাগঃ পৃষ্ঠাঃ ২০ ॥ (শব্দার্থঃ মাউলানী- মামী, কাহ্নের- কৃষ্ণের, বোলেঁ- বলে, হরিল- হারাল, বনমালী- কৃষ্ণ, মোকে- আমাকে, দেখিআঁ- দেখে, তন- স্তন।)
    চন্ডীদাসের শ্রীকৃষ্ণ কীর্ত্তন এর বৃন্দাবন খন্ডে পাওয়া যায়ঃ
    এ তোর নব যৌবনে ল
    আহোনিশি জাগে মোর মনে।
    তাহাত তোক্ষা রমণে ল
    খেতি করে আক্ষার পরাণে॥
    …..॥ শ্রীকৃষ্ণ কীর্ত্তন (চন্ডীদাস বিরচিত) : বৃন্দাবন খন্ডঃ পৃষ্ঠা-৮৯ ॥
    (শব্দার্থঃ আহোনিশি- অহরহ, তোক্ষা – তোমার, খেতি করে – কর্ষণ করে বা আঘাত করে, আক্ষার -আমার)
    অর্থঃ “রাধে, তোমার এই নব
    যৌবনের সুষমা অহরহ আমার মনে জাগিতেছে। তাহাতে আবার তোমার সহিত রমণেচ্ছা প্রবল হইয়া আমার হৃদয়কে অতিমাত্রায় কর্ষণ করিতেছে।” (শ্রীকৃষ্ণ কীর্ত্তন : ভাষাসর্ব্বস্ব
    টীকা-২৫২পৃষ্ঠা)
    রাধার সখিদের সাথে কৃষ্ণের ভন্ডামি-
    শ্রীকৃষ্ণ কীর্ত্তনের যমুনা খন্ডে বলা হয়েছেঃ
    আহা।গোপীর বসন হার লয়িআঁ দামোদর।
    উঠিলা গিআঁ কদম্ব তরুর উপর ॥
    তথাঁ থাকী ডাক দিআঁ বুইল বনমালী।
    কি চাহি বিকল হঅ সকল গোআলী ॥১॥
    নিকট আইস মোর মরণ সব গোপীগণে।
    আজি কথা সুণ মোর মরণ জীবনে ॥ধ্র“॥
    দেখি[ল] হরষে তা সব গোপযুবতী।
    গাছের উপরে কাহ্নাঞিঁ উল্লাসিত মতী ॥
    হরিআঁ গোপীর হার আঅর বসনে।
    হাসে হাসি খলখলি কাহ্নাঞিঁ গরুঅ মনে ॥২॥
    কুলে পরিধান নাহি দেখি গোপনারী।
    হৃদঞঁ জানিল তবে নিলেক মুরারী ॥
    তবে বড় গল করী বুইল জগন্নাথে।
    তোক্ষার বসন হের আক্ষার হাতে ॥
    ৩॥
    যাবত না উঠিবেঁহে জলের ভিতর।
    তাবত বসন নাহি দিব দামোদর ॥
    এহা জাগী তড়াত উঠিআঁ নেহ বাস।
    বাসলী শিবে বন্দী গাইল
    চন্ডীদাস॥৪॥
    ॥ শ্রীকৃষ্ণ কীর্ত্তন : যমুনা খন্ড ॥
    পাহাড়ীআরাগ ॥ পৃষ্ঠাঃ ১০২॥
    – এখানে রাধা-কৃষ্ণের প্রেমের বর্ণনা করা হয়েছে। রাধা তার অষ্টসখিদের নিয়ে পুকুরে স্নান করতে যায়।
    সখিরা তাদের নিজ নিজ বসন খুলে বিবস্ত্র হয়ে জলেতে নামিল।

    বিবস্ত্র হয়ে জলে নামার কথাটা উল্লেখ আছে পরের শ্লোকে।
    পৃষ্ঠা : ১০৩, ধানুষীরাগ : ॥
    একতালী॥
    আল বড়ায়ি সাত পাঁচ সখিজন লআঁ।
    জলেত ণাম্বিলী লাঙ্গট হআঁ ॥ল॥
    …..॥ শ্রীকৃষ্ণ কীর্ত্তন : যমুনা খন্ড :পৃষ্ঠা : ১০৩ : ধানুষীরাগ :॥
    (শব্দার্থঃ কদম্ব তরুর- কদম গাছ,
    তোক্ষার- তোমার, আক্ষার- আমার,যাবত- যতক্ষণ, উঠিবেঁহে- উঠিয়া আসিবে, জলের ভিতর- জল থেকে, তড়াত- তাড়াতাড়ি করে,বুইল- বলল, দিআঁ- দিয়ে, গিআঁ-গিয়ে, দামোদর – কৃষ্ণ, করী- করে,লআঁ- নিয়ে, ণাম্বিলী- নামিল,লাঙ্গট- উলঙ্গ।)
    এখানে, তোক্ষার বসন আক্ষার
    হাতে ॥৩॥
    তোমার কাপড় আমার হাতে।
    যাবত না উঠিবেঁহে জলের ভিতর।
    যতক্ষণ না উঠিয়া আসিবে জল থেকে।
    তাবত বসন নাহি দিব দামোদর ॥
    ততক্ষণ কাপড় নাহি দিবে কৃষ্ণ।

    সখিসব স্নানশেষে কূলেতে তাকিয়ে দেখে তাদের পরিধানের বসন নেই। এদিক সেদিক তাকিয়ে দেখে শ্রীকৃষ্ণ তাদের বসন গুলো নিয়ে কদম গাছের ডালে বসে বাঁশি বাজাচ্ছে। বসন চাইলে কৃষ্ণ তাদের কে জলের ভিতর থেকে উঠে আসতে বলে। সখিসব বিবস্ত্র অবস্থায় কূলে উঠতে ইতস্ততঃ বোধ করল। কিন্তু না উঠে উপায় কি? যতক্ষণ পর্যন্ত তারা জল থেকে না উঠে আসবে ততক্ষণ পর্যন্ত তাদের বসন ফেরত দেবেনা।

    Reply

Leave a Reply

%d bloggers like this: