লালন শাঁইঃ কালান্তরের পথিক, বাঙালি সংস্কৃতির মূলধারার কালপুরুষ

কেউ বলে ফকির লালন, কেউ বাউল লালন শাহ্‌, কেউ আবার মহাত্মা লালন আবার কেউ ফকির লালন শাঁই। যে নামেই ডাকা হওক না কেন, জ্ঞানীর পরিচয় তার বাণীতেই। বাউল লালন শাঁহ যেন এক অজানা আর রহস্যের ভান্ডার । তাঁর তুলনা তিনি নিজেই। তিনি একজন আধ্যাত্মিক বাউল সাধক, মানবতাবাদী, সমাজ সংস্কারক, দার্শনিক। তিনি অসংখ্য অসাধারণ গানের গীতিকার, সুরকার ও গায়ক ছিলেন।
লালন ফকির

লালন শাহ এর জীবনী সম্পর্কে বিশদ বর্ণনা পাওয়া যায়নি। তার মৃত্যুর পনেরো দিন পর কুষ্টিয়া থেকে প্রকাশিত হিতকরী পত্রিকার সম্পাদকীয় নিবন্ধে বলা হয়, “ইহার জীবনী লিখিবার কোন উপকরণ পাওয়া কঠিন। নিজে কিছু বলিতেন না। শিষ্যরা তাহার নিষেধক্রমে বা অজ্ঞতাবশতঃ কিছুই বলিতে পারে না।” তবে তার জীবনী সম্পর্কে বেশ নির্ভরযোগ্য শ্রী বসন্তকুমার পাল এর লেখা ‘মহাত্মা লালন ফকির’ বইটি। ফকির লালন শাহ্‌ ১৭৭৪ সালে বর্তমান বাংলাদেশের যশোর জেলার ঝিনাইদহ মহকুমার হারিশপুর গ্রামে জন্মগ্রহন করেন। কোনো কোনো লালন গবেষক মনে করেন, লালন কুষ্টিয়ার কুমারখালী থানার চাপড়া ইউনিয়নের অন্তর্গত ভাড়ারা গ্রামে জন্মেছিলেন। এই মতের সাথেও অনেকে দ্বিমত পোষণ করেন। বাংলা ১৩৪৮ সালের আষাঢ় মাসে প্রকাশিত মাসিক “মোহম্মদী পত্রিকায়” এক প্রবন্ধে লালনের জন্ম যশোর জেলার ফুলবাড়ি গ্রামে বলে উল্লেখ করা হয়। কিবা আসে যায় জন্মে আর জন্মস্থানে, সাধকরাই তো বলেন, মানুষ বড় হয় তার কর্মে।  কথিত আছে যে, তিনি হিন্দু পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন, কিন্তু ছেলেবেলায় অসুস্থ অবস্থায় তাঁর পরিবার তাঁকে ত্যাগ করে। তখন সিরাজ শাঁই নামের একজন মুসলমান বাউল তাঁকে আশ্রয় দেন এবং সুস্থ করে তোলেন। লালন কুষ্টিয়ার ছেউড়িয়াতে একটি আখড়া তৈরি করেন, যেখানে তিনি তাঁর শিষ্যদের শিক্ষা দিতেন।

উনিশ শতকে তার গানের মাধ্যমেই বাউল গান বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করে এবং খ্যাতিমান হন বাউল সম্রাট হিসেবে। তিনি সর্বপ্রথম উপমহাদেশে ‘মহাত্মা” উপাদি লাভ করেন যা ছিল গান্ধীরও ২৫ বৎসর পূর্বে। যার গান, কথা, দর্শন যুগে যুগে প্রভাবিত করেছে রবীন্দ্রনাথ, কাজী নজরুল, জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর, রণজিৎ কুমার, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, সুনির্মল বসু। এমনকি মার্কিন কবি এলেন গিন্সবার্গ লালনের দর্শনে প্রভাবিত হন এবং তার রচনাবলীতেও লালনের রচনাশৈলীর অনুকরণ দেখা যায়। তিনি “আফ্টার লালন” (After Lalon) নামে একটি কবিতাও রচনা করেন বাউল লালন শাঁইকে নিয়ে।

লালন ধর্ম, বর্ণ, গোত্রসহ সকল প্রকার জাতিগত বিভেদ থেকে সরে এসে মানবতাকে সর্বোচ্চ স্থান দিয়েছিলেন। অসাম্প্রদায়িক এই মনোভাব থেকেই তিনি তার গান রচনা করেছেন। লালন শাঁই ছিলেন ধর্ম, বর্ণ, জাতি নির্বিশেষে একজন মানবতাবাদী ব্যাক্তিত্ব।  ব্রিটিশ আমলে যখন হিন্দু ও মুসলিম মধ্যে জাতিগত বিভেধ-সংঘাত বাড়ছিল তখন লালন ছিলেন এর বিরূদ্ধে প্রতিবাদী কন্ঠস্বর। তিনি মানুষে-মানুষে কোনও ভেদাভেদে বিশ্বাস করতেন না। তাঁর কাছে জাতি, ধর্ম, বর্ণ এসবের কোনও মূল্য ছিল না। তিনি ছিলেন মানবতাবাদী। একটি গানে তিনি বলেছেন-

সব লোকে কয় লালন কি জাত সংসারে।

লালন বলে জাতের কি রূপ

দেখলাম না এই নজরে।।


কেউ মালায় কেউ তসবি গলায়,

তাইতে যে জাত ভিন্ন বলায়।

যাওয়া কিম্বা আসার বেলায়,

জাতের চিহ্ন রয় কার রে।।”

লালন শাহ্‌ তার জীবদ্দশায় নিজের সম্পর্কীয় কোন চিহ্ন রেখে যাননি, কেবলমাত্র তার গানের মাঝেই তার নামের পরিচয় লালন শাহ্‌ পাওয়া যায়। লালনের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছিল না, কিন্তু নিজ সাধনাবলে তিনি হিন্দু-মুসলমান উভয় ধর্মের শাস্ত্র সম্পর্কে গভীর জ্ঞান লাভ করেন। তাঁর রচিত গানে সেই জ্ঞানের পরিচয় পাওয়া যায়। আধ্যাত্মিক ভাবধারায় তিনি প্রায় দুহাজার গান রচনা করেন। তাঁর গান মরমি ব্যঞ্জনা ও শিল্পগুণে সমৃদ্ধ। সহজ-সরল শব্দময় অথচ গভীর তাৎপর্যপূর্ণ ও মর্মস্পর্শী তাঁর গানে মানব জীবনের আদর্শ, মানবতাবাদ ও অসাম্প্রদায়িক দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ পেয়েছে। তিনি হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, ক্রিস্টিয়ান এসব বহুরূপী ধর্ম ভেদাভেদ ভুলে একটা নিধর্মীয় জগতের কল্পনা করতেন। তারই গানে-

“ এমন সমাজ কবে গো সৃজন হবে।

যেদিন হিন্দু মুসলমান বৌদ্ধ খ্রিস্টান

জাতি গোত্র নাহি রবে ”

তার  অন্য একটি লালনগীতি-

জাত গেল জাত গেল বলে

একি আজব কারখানা।

সত্য কাজে কেউ নয় রাজি

সবই দেখি তা না না না।।

আসবার কালে কি জাত ছিলে

এসে তুমি কি জাত নিলে।

কি জাত হবা যাবার কালে

সেই কথা ভেবে বলো না।।

ব্রাহ্মণ চন্ডাল চামার মুচি

এক জলে সব হয় গো শুচি।

দেখে শুনে হয় না রুচি

যমে তো কাউকে ছাড়বে না।।

গোপনে যে বেশ্যার ভাত খায়

তাতে ধর্মের কী ক্ষতি হয়।

লালন বলে জাত কারে কয়

এই ভ্রম তো গেল না।।”

জন্মলগ্নে কেউই কোন ধর্ম বা জাতের সীলমোহর নিয়ে জন্মগ্রহন করেনা। উপরের কৃত্রিম খোলশ ছাড়ালে সবাই এক। মুলত জাতের এই ভ্রম থেকে লালন শাহ্‌ বেরিয়ে আসার আক্ষেপ তার লালনগীতিতে রচিত করে গেছেন। লালন ছিলেন ধর্মনিরপেক্ষ তা সুস্পষ্টভাবে প্রকাশ পায় যদিও কদাচিৎ কিছু সুবিধাদিরা তাদের ভ্রান্ত ধর্মের একনিষ্ঠ বলে লালনকে দাবী করে।

ফকির লালন শাহ্ এর জীবনকাল থেকে শুরু করে আজ অবধি সেই সকল জ্ঞানী অনুসন্ধিৎসু ব্যক্তিগণ কর্ম প্রয়াস চালিয়ে আসছেন, ঐ সকল জ্ঞানী অনুসন্ধিৎসু সংগ্রাহক ও সংকলকদের মধ্যে আমরা পরম শ্রদ্ধাভরে একজনকে বিশেষভাবে স্মরন করতে পারি। তিনি হলেন মহৎ প্রাণ কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। যিনি মহাত্মা ফকির লালন শাহ্‌ এর প্রতি প্রচন্ড ভালোবাসা আর গুরু ভাবজ্ঞানে লালন সঙ্গীতের সংগ্রাহক ও সংকলক রূপে নিঃসন্দেহে এক গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করেছেন।

লালনকে নিয়ে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছেন-

লালন ফকির নামে একজন বাউল সাধক হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, জৈন ধর্মের সমন্বয় করে কী যেন একটা বলতে চেয়েছেন – আমাদের সবারই সেদিকে মনোযোগ দেওয়া উচিৎ।”

লালন সাঁই সব সময় বিলীন থাকেতেন পরমাত্মার মাঝে। আর সেই অসীম পরম আত্মার মাঝেই খুঁজে বেরায়েছেন মানবসত্ত্বার মানুষকে। মানবতাই তাঁর নিকট ছিল বিশেষ গুরুত্ববহ । তাই তিনি সহজেই বলতে পারতেন প্রচলিত ধর্ম মানুষের মাঝে বিরোধের সৃষ্টি করে। পরমাত্মার সাথে মানুষের একাত্ম হওয়ার ধর্মই মানবতা ধর্ম। যা মানবাত্মার দিব্যজ্ঞানের পরিচায়ক। তাঁর ভাষায় –

ডানে বেদ, বামে কোরান,

মাঝখানে ফকিরের বয়ান,

যার হবে সেই দিব্যজ্ঞান

সেহি দেখতে পায়

লালনের ধর্মবিশ্বাস নিয়ে উনিশ শতকের সাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় বলেছেন,

‘‘লালন ধার্মিক ছিলেন, কিন্তু কোনো বিশেষ ধর্মের রীতিনীতি পালনে আগ্রহী ছিলেন না। সব ধর্মের বন্ধন ছিন্ন করে মানবতাকে সর্বোচ্চ স্থান দিয়েছিলেন জীবনে।’’

লালন আত্মতত্ত্ব হিসেবে পরিচিত, মানুষের চেয়ে বড় মানবতার চেয়ে উপরে যে বড় কেউ হতে পারেনা তাই বুঝিয়েছে ফকির লালন শাহ । লালন বেশ কিছু জায়গায় নিজেকে ফকির বলে সম্বোধন করেছে ।তার ধর্ম নিয়েও অনেককে অনেক দ্বিমত পোষন করতে দেখা যায়। লালনের পরিচয় দিতে গিয়ে সুধীর চক্রবর্তী লিখেছেন,

‘‘কাঙাল হরিনাথ তাঁকে জানতেন, মীর মশাররফ চিনতেন, ঠাকুরদের হাউসবোটে যাতায়াত ছিল, লেখক জলধর সেন বা অক্ষয় কুমার মৈত্রেয় তাঁকে সামনাসামনি দেখেছেন কতবার, গান শুনেছেন, তবু জানতে পারেন নি লালনের জাতপরিচয়, বংশধারা বা ধর্ম

লালনের সময়কালে যাবতীয় নিপীড়ন, মানুষের প্রতিবাদহীনতা, ধর্মীয় গোঁড়ামি-কুসংস্কার, লোভ, আত্মকেন্দ্রিকতা সেদিনের সমাজ ও সমাজ বিকাশের সামনে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। লালন তার গানের মাধ্যমে সকল প্রকার কুসংস্কার ও ধর্মীয় গোঁড়ামির প্রতি সোচ্চার হয়েছিলেন। তিনি মনে করতেন মানুষের কোন ধর্ম, বর্ণ, গোত্র বা জাত বিশেষণ নেই। তিনি তার সাধনার মাধ্যমে সহজ সরল ভাষায় প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন চলমান অন্ধবিশ্বাস আর মানুষ্য ভেদাভেদকে যার কারনে তার বাণীর প্রতি আকৃষ্ট হয়েছেন বহু লেখক, সাহিত্যিক, সম্পাদক ও ঐতিহাসিক ব্যাক্তিত্ব। লালন তার চিরচিরায়িত বহু গীতিকার মধ্য দিয়ে সুনিপুণ ভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন ধর্মান্ধদের। তাইতো সাইজি বলেন-

“ আমি ভেবে পাইনে দিশে

সব জিনিস যে পয়দা করলো

সে পয়দা হইলো কিসে?

উদার ও প্রগতিশীল মানসতার কারণে সমকালীন সমাজে লালনকে যথেষ্টই নিন্দিত ও নিগৃহীত হতে হয়। হিন্দু ও মুসলমান উভয় সম্প্রদায়ের শাস্ত্রবাহক মৌলবাদীরাই লালনের বিপক্ষে ছিলেন। মুসলমানের চোখে লালন বেশরা-বেদাতি নাড়ার ফকির, নাস্তিক -আবার হিন্দুর কাছে ব্রাত্য-কদাচারী হিসেবে চিহ্নিত। ধর্মগুরু ও সমাজপতি উভয়ের নিকটেই লালনের বাণী ও শিক্ষা অস্বীকৃত হয়েছে। কিন্তু লালন তাঁর উদার প্রেমধর্মের বাণীকে সমাজশিক্ষার বাহন করে ক্রমশ তার অনাকাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে যাত্রা অব্যাহত রেখেছিলেন। উত্তরকালেও লালন আক্রান্ত হয়েছেন- বাউল বা লালনবিরোধী আন্দোলন থেমে থাকেনি। জারি হয়েছে ‘বাউলধ্বংস ফৎওয়া’,- রচিত হয়েছে ‘রদ্দে নাড়া’, ‘ভণ্ড ফকীর’, ‘সাধু সাবধান’, ‘বাউল একটি ফেতনা’, ‘নেড়ার ফকিরের গুপ্তকথা’-র মতো বিদ্বেষপূর্ণ পুস্তিকা। মৌলবাদী আক্রমণে কিছুকাল আগে ঢাকায় বিধ্বস্ত হয়েছে লালন-স্থাপত্য। তবে আশার কথা, স্বদেশে অনুদার-প্রতিক্রিয়াশীল শক্তির লালনবিরোধী ভূমিকার পাশাপাশি বাঙালি সংস্কৃতির সুস্থ ধারার চর্চা যাঁরা করেন, তাঁরা লালনের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন। তাই লালনের সমাধিসৌধের শান্ত-সৌম্য আবহ ক্ষুণ্ণ করার প্রয়াস প্রতিহত করতে গড়ে ওঠে ‘লালন আখড়া রক্ষা কমিটি’। লালন-স্থাপত্য ধ্বংসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদমুখর হয়ে ওঠেন সংস্কৃতিমনস্ক বাঙালি। এরই পটভূমিতে ২০০৮-এ বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটারের জাতীয় সম্মেলনে মূল থিম ঘোষিত হয়- ‘লালন আমার প্রাণের স্পন্দন’। কুষ্টিয়ায় অনুষ্ঠিত আঞ্চলিক গণিত উৎসব (২০০৯) উৎসর্গিত হয় লালনের উদ্দেশে। এই সাধক পদ্মার বুকে ঠাঁই পান ‘লালন-সেতু’ নামকরণের ভেতর দিয়ে। বাংলাদেশের বাউলগান, যার প্রধান রূপকার লালন সাঁই- সেই বাউলগানকে ইউনেস্কো ২০০৫ সালে স্বীকৃতি দিয়েছে।

১৮৯০ সালের ১৭ই অক্টোবর লালন ১১৬ বছর বয়সে কুষ্টিয়ার ছেউড়িয়াতে নিজ আখড়ায় মৃত্যুবরণ করেন। জানা যায় বাউল মৃত্যুর প্রায় একমাশ আগে থেকেই পেটের সমস্যা ও হাত পায়ের গ্রন্থির সমস্যায় ভুগছিলেন। আজও সারা দেশ থেকে বাউলেরা অক্টোবর মাসে ছেউড়িয়ায় মিলিত হয়ে লালন শাহের প্রতি তাদের শ্রদ্ধা নিবেদন করে।

লালনের পরিচয় ও প্রতিষ্ঠার পরিধি আজ দেশের গণ্ডি অতিক্রম করে বিশ্বের মানচিত্রকে স্পর্শ করেছে। তাঁর প্রতি আন্তর্জাতিক মনোযোগ ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিদেশে বাউল ও লালন সম্পর্কে আগ্রহ ও অনুরাগের পরিচয় পাওয়া যায় চার্লস ক্যাপওয়েল, এডওয়ার্ড সি. ডিমক, জোসেফ কুকার্জ, জুনে ম্যাকড্যানিয়েল, ক্যারল সলোমন, ম্যান্ড্রিন উইনিয়স, ফাদার মারিনো রিগন, মাসাউকি ও’নিশি, জান ওপেনশ’, মাসাহিকি তোগাওয়া প্রমুখের রচনায়। অদূর ভবিষ্যতে বহির্বিশ্বে লালন বাংলাদেশ ও বঙ্গ-সংস্কৃতির প্রতিনিধি-ব্যক্তিত্ব হিসেবে গৃহীত হবেন সে সম্ভাবনা ক্রমশ স্পষ্ট হয়ে উঠছে। দেশের সীমানা পেরিয়ে লালন পৌঁছে গেছেন দেশান্তরে। এইভাবে লালন হয়ে ওঠেন কালান্তরের পথিক- বাঙালি সংস্কৃতির মূলধারার কালপুরুষ।

Facebook Comments

ক খ গ বৃত্তবন্দী

"মুর্খরা প্রার্থনায় আর জ্ঞানীরা কাজে বিশ্বাসী।" (ময়নুল)

Leave a Reply

%d bloggers like this: