বেশ্যা

বেশ্যা শব্দটি বাঙালির কাছে মাছ-ভাতের মতই পরিচিত। বাঙলার শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধের মুখে বেশ্যা শব্দের ব্যবহার তাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ। অভিধান খুজলে বেশ্যা শব্দের নানা প্রতিশব্দ পাওয়া যায়, যেমন- পতিতা, বারাঙ্গনা, দেহপসারিণী, দেহপোজীবিনী, রক্ষিতা, খানকি, বারবনিতা, উপপত্নী, গণিকা, মাগী, প্রস্টিটিউট, কলগার্ল ইত্যাদি। ‘মাগী’ বা ‘খানকি-মাগী’ শব্দগুলো বাঙালির বাচনে বহুল ব্যবহৃত। কাউকে গালি দিতে ‘মাগীর পোলা’ বা ‘খানকি-মাগীর পোলা’ বাঙালির প্রিয় গালির তালিকায় থাকে। এই দেশের শিশুরাও একে অন্যকে গালি দিতে ‘মাগী’ বা ‘খানকি-মাগী’ বলে থাকে। বেশ্যা ও বেশ্যাবৃত্তি বাঙালি তথা পৃথিবীর সকল জাতির, সকল দেশের ইতিহাসের অবিচ্ছদ্য অংশ এবং এই ইতিহাস করুণ। সবসময়েই দেখা গেছে যে, সমাজের উচ্চশ্রেনী থেকে নিম্নশ্রেনী পর্যন্ত বেশ্যা নামের নারীদের নিজেদের বাসনা চরিতার্থ করার জন্য ব্যবহার করেছে এবং তাদের তথাকথিত সমাজ বৃত্তের বাইরেই রেখেছে চিরকাল। সমাজের কাছে তাদের প্রয়োজনটা কিন্তু ফুরিয়ে যায়নি অদ্যবধি, ফলে ব্যাধিগ্রস্থ সমাজের সামান্তরালে চলছে ‘বেশ্যালয়’ বা ‘গণিকালয়’ নামের আরেক সমাজ। আমরা মুখে যা-কিছুই বলে ভন্ডামি করি না কেন, বেশ্যালয় আমদের দরকার বলেই আছে। রাজা-বাদশা-সম্রাট-উজির-নাজির-গোমেস্তা থেকে শুরু করে ধর্মযাজক-ধর্মপ্রচারকদের অনেকেরই বেশ্যা লাগত এখনও ক্ষমতাধর-ক্ষমতাহীন-ধনী-মধ্যবিত্ত-দরিদ্র অনেকেরই বেশ্যা লাগে। বেশ্যালয়ে কেউ যৌনক্ষুধা মেটাতে না গেলে অনেক আগেই বেশ্যারা শরীরের যৌনতা বিক্রি বাদ দিয়ে অন্য কোন কাজ করতে বাধ্য হত। বেশ্যালয়ের ধারণা শুধু ঐ শহরের এক কোনে ছালার পর্দায় ঢাকা অধো আঁধারের চিপা গলির জগৎ নয়; হোটেল-মোটেলে রাত্রিকালীন রুপজীবিনীদের পসরা নয়; বেশ্যালয় আরো অনেকদূর বিস্তৃত। বাঙলার গাঁয়ের কুড়েঘর থেকে শহরের প্রাসাদ পর্যন্ত গণিকালয় বিস্তৃত; শুধু শরীর কেনা-বেচার পদ্ধতিতেই পার্থক্য।

বেশ্যা কে বা কারা? এই সমাজ যে মানদন্ডে একজন নারীকে ‘বেশ্যা’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বা কাউকে ‘বেশ্যা’ বলে যা বুঝাতে চায় সেটা কি? সকলেই জানেন একথা। যে সকল নারীরা পেশা হিসেবে নিজের শরীরকে অন্যের যৌন লিপ্সা মেটানোর জন্য দান করেন অথবা অর্থের বিনিময়ে অন্যকে যৌন তৃপ্তি দেন আমাদের সমাজের ভাষায় তারা ‘বেশ্যা’। যৌনতা বিক্রিই তাদের উপার্জনের মাধ্যম এবং এই উপার্জিত অর্থদিয়েই তারা খেয়ে-পড়ে বাঁচে। একারণেই তো তারা বেশ্যা? হ্যাঁ, আরেক মহা কারণ বাদ পড়ে গেছে, তারা বহুগামী যে কেউ অর্থ দিলেই শরীর পেতে পারে। আপনারা এদেরই বলছেন ‘বেশ্যা’ তাদের আবাসস্থল-কর্মস্থলকে বলছেন ‘বেশ্যালয়’ বা ‘গণিকালয়’। আপনারা বেশ্যা ও বেশ্যালয়কে নির্ধারিত করে দিয়েছেন এই পর্যন্তই।

(বেশ্যালয়ে যে পুরুষেরা যান তাদের অধিকাংশই বিবাহিত; তারাও বহুগামী। বেশ্যালয়ে যাওয়া ছাড়া তারা অনেকে একাধিক স্ত্রী রেখেও বহুগামী হন তবু তারা বেশ্যা নয়)

বাঙলার গাঁয়ের কুড়েঘর থেকে শহরের প্রাসাদ পর্যন্ত গণিকালয় বিস্তৃত; শুধু নারীর শরীর কেনা-বেচার পদ্ধতিতেই পার্থক্য

এই সমাজের কাছে যৌনান্দ উপভোগ করার একমাত্র বৈধ উপায় হল ‘বিয়ে’ যার সাধু রূপ ‘বিবাহ’। বিবাহ শব্দের বিশ্লেষন করলে আমরা পাই- বি (উপসর্গ) + বহ (ধাতু) + ঘঞ (প্রত্যয়)। বিবাহ শব্দটি পুরুষতান্ত্রিক যার অর্থ ভার বহন। যে প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে একজন পুরুষ একজন নারীর সমস্ত ভার বহন করার প্রতিশ্রুতিতে আবদ্ধ হন। ভার বলতে এখানে অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয় ইত্যাদি প্রদানের নিশ্চয়তা বুঝায়। এখানে প্রশ্ন থেকে যায় নারী কি প্রতিশ্রুতিতে আবদ্ধ হন? অথবা কেন বা কিসের বিনিময়ে একজন পুরুষ একজন নারীর সমস্ত ভার বহন করতে যাবেন? হ্যাঁ, শরীরের বিনিময়ে। বিয়ের মধ্য দিয়ে নারী তার শরীর পুরুষকে দিবে তার সকল যৌন বাসনা মেটাতে, সন্তান জম্ন দিতে, গৃহের কাজ করতে বিনিময়ে পুরুষ তাকে দিবে ভরণ-পোষণ, আশ্রয়। উল্লখ্যে যে, আমরা একটু অতীতে তাকালেই দেখতে পাই শরীর ভোগের বিনিময়ে নারীকে ভরণ-পোষণ, আশ্রয় দিলেই হত, বিয়ে না করলেও হত যাদেরকে দাসী বা যৌনদাসী বলা হত। এই বেশ্যাদের গর্ভে সন্তানও হত, তারা দাসীর সন্তান হিসেবে পরিচিত হত। রাজা-বাদশাদের হেরেমের কথা সবারই জানা থাকার কথা যেখানে অসংখ্য বেশ্যারা যৌথভাবেই থাকত এবং রাজা-রাজপুত্রদের ইচ্ছে মত তারা যৌনকাজে ব্যবহৃত হত। জমিদারদেরও বাধা-ধরা নর্তকী থাকত যারা নেচে গেয়ে, শরীর দিয়ে তাদের খুশি করে রাখত, বিনিময়ে দেওয়া হত খাদ্য-আশ্রয়-বখশিস। রানী আর দাসীদের দ্বন্দ নিয়ে তো কেচ্ছা-কথাও প্রচলিত আছে। এখানে একটা প্রশ্ন শুধু রেখে যাই, এই যে দাসীদের-নর্তকীদের-বেশ্যাদের যে সন্তান হত তারাও তো বংশ পরম্পরায় বংশবৃদ্ধি করে গেছে, সেই বংশ ধরেরা কারা?

হিন্দু বিয়ের যে রীতি এখন সমাজে প্রচলিত সেটা হল ‘প্রজাপতেয়’ বিবাহ। এই বিয়ের একটি অংশ হল কন্যাদান; মানে কনে পক্ষের থেকে কোন অভিভাবক (বাবা, চাচা এমন কেউ) মূল বিবাহ শুরু হবার আগে মন্ত্র জপ করে পাত্রের হাতে কন্যাকে দান করেন। কন্যা দানের বিনিময়ে বর পক্ষ কন্যার অভিভাবককে একটি মুদ্রা দেন। একটি মুদ্রা ও মন্ত্রের জোরে পুরুষ নারীকে কিনে নেয়।

ইসলাম ধর্মের বিয়ে পদ্ধতিতে রয়েছে কাবিন নামা যেখানে বিয়ে করার সময় পুরুষ তার সাধ্য অনুযায়ী নারীকে অর্থ দেবার লিখিত প্রতিশ্রুতি দেয়। নারী কি দেবার প্রতিশ্রুতি দেয়? অথবা কিসের বিনিময়ে পুরুষ এই অর্থ দিবে? হ্যাঁ, শরীরের বিনিময়ে। বিয়ের মধ্য দিয়ে নারী তার শরীরকে পুরুষকে দিবে তার সকল যৌন বাসনা মেটাতে, সন্তান জন্ম দিতে, গৃহের কাজ করতে বিনিময়ে পুরুষ তাকে দিবে ভরণ-পোষণ ও কাবিনের টাকা।

বলা হয়ে থাকে ‘বিয়ে একটি সামাজিক চুক্তি’। তা তো বটেই। চুক্তি হয় দুই বা ততোধিক পক্ষের মধ্যে যেখানে উভয়েই কোন না কোন প্রতিশ্রুতি দিয়ে থাকে। বিয়ে নামক এই সামজিক চুক্তিতে নারীর প্রধান প্রতিশ্রুতি কি থাকে? অবশ্যই স্বামীকে তার শরীরে প্রবেশের প্রতিশ্রুতি। সেইসাথে আরও একটি পরোক্ষ প্রতিশ্রুতি নারীর থাকে যে, তার শরীর শুধুমাত্র তার স্বামীই ভোগ করবেন আর কেউ নয়। অন্য কাউকে যদি নারী এই অধিকার দেয় তবে তার জুটবে বেশ্যা নাম; কিন্তু পুরুষ সেই প্রতিশ্রুতি দেন না বা দিয়েও যদি বেশ্যালয়ে যান বা অন্য নারীতে লিপ্ত হন তাকে কেউ বেশ্যা বলবে না। বেশ্যালয়ে গিয়ে নারীর শরীর পেতে দিতে হয় শুধু টাকা দেবার প্রতিশ্রুতি আর বিয়ে করলে টাকার সাথে যুক্ত হয় ভাত-কাপড়-আশ্রয় দেবার প্রতিশ্রুতি; পার্থক্য এতটুকুই নয় কি? আর একটু পার্থক্য আছে। গনিকালয়ের ওই নারীদের খানকি বা মাগী বা বেশ্যা বলেন আর বিয়ের বিনিময়ে যাদের পান তাদের বলেন না তবে কোন নারীকে অপমান করতে হলে “বেশ্যা” বলেন।

যখন দেহ বিক্রির জন্য কাউকে বেশ্যা বলে অপমান করছেন তাদের সাথে নিজের ঘরের নারীদের অবস্থান মিলিয়ে দেখুন খুব বেশী পার্থক্য নেই। তাদের দেহও ‘সামাজিক বৈধতার’ মুখোশে বিনিময় হচ্ছে প্রতিনিয়ত। সম্মান, মানবিক মর্যাদা, স্বাধীনতা, অধিকার বিবেচনা করলে বাঙলার গণিকালয় আর আলয়ের নারীদের পার্থক্য খুব সংকীর্ণ। সমাজ শুধু একটাকে বৈধ করে তাদের ‘বেশ্যা’ বলে না, আর একটাকে অবৈধ করে, গালি দিয়ে, বৃত্তের বাইরে রেখে দেয় এবং ইচ্ছে হলেই সুবিধা নেয়।

এই একবিংশ শতাব্দীতে বিজ্ঞানের চরম উতকর্ষের সময়ে এসেও সবচাইতে ভয়ংকরভাবে পিছিয়ে রাখা হয়েছে নারীদের। পুরুষতন্ত্র নারীকে দমন করেই চলেছে শুধু সিস্টেমটা বদলাচ্ছে। এখনও চাইলেই নারীকে বেশ্যা বানানো যায়, সামাজিক বেশ্যা বানানো যায়, তার চরিত্রকে ইচ্ছেমত নমনীয় করা যায়।

এদেশে একটি ছেলে পড়াশুনা শেষ করে বছরের পর বছর চাকরি খুজে আইবুড়ো হয়ে যায়। তার মা-বাবা কিন্তু তাকে বিয়ে দেবার জন্য উন্মুখ হয়ে থাকে না, ভাল পাত্রী খুজতে থাকে না। কেন? কারণ সে বেকার; বিয়ে করার যোগ্যতা তার নেই। আগে নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে তাকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাধীন হতে হয়। তারপর তথাকথিত সামাজিকভাবে সে একজন নারী পেতে পারে। (যারা পৈতৃকভাবে বিত্তের মালিক তাদের ব্যাপার কিছুটা আলাদা হয়ে থাকে)

পক্ষান্তরে, ধনী-দরিদ্র-মধ্যবিত্ত যাই হোক না কেন এই সমাজে একটি মেয়ে মাধ্যমিক পাশ বা ইন্টার পাশ করতেই তার জন্য বিয়ের প্রস্তাব আসতে থাকে; মা-বাবাও পাত্র দেখেন। যে মেয়েটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছেন তার জন্য উকিল, আমলা, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়র, ব্যবসায়ী প্রস্তাব পাঠান। পাত্রীর মা-বাবা আর সমাজ দেখে নেয় ছেলের যোগ্যতা কি? কেমন চাকরি করে? কত টাকা আয় করে? বাড়ি-গাড়ি আছে কি না? ইত্যাদি। কিন্তু একবার ভেবেছেন মেয়ের যোগ্যতা কি? একটি বেকার মেয়েকে নিয়ে কিন্তু ছেলে পক্ষ প্রশ্ন করছে না যে মেয়ের যোগ্যতা কি? কেমন চাকরি করে? কত টাকা আয় করে? বাড়ি-গাড়ি আছে কি না? মেয়েদের এসবের দরকার নেই কারণ তার আসল যোগ্যতা তার শরীর। তার একটা সুন্দর শরীর আছে কিনা, সেটাই বিবেচ্য এই সমাজে। টাকা তো ছেলের আছেই, তার দরকার নারী, নারীর শরীর। বিনিময়টা কিসের হচ্ছে? অন্ন-বস্ত্র-আশ্রয়ের নিশ্চয়তা এবং শরীরের বিনিময় হচ্ছে এবং যাদের বেশ্যা বলে গালি দিচ্ছেন তাদের থেকে এই বিনিময় প্রথা খুব সম্মানের নয়।

সিরিয়াসলি বলুনতো, একটা বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া অথবা শিক্ষিত বেকার সুদর্শন তরুণকে তার কাছাকাছি বয়সী কোন নারী ডাক্তার, নারী বিচারক, নারী ইঞ্জিনিয়র, নারী আমলা, নারী ব্যাঙ্কার বা তাদের অভিভাবক কি বিয়ের জন্য প্রস্তাব পাঠায় (প্রেম থাকলে আলাদা কথা)?। অথবা তথাকথিত কোন সুন্দরীর অভিভাবক? পাঠায় না, কেন? কারণ বিয়ের জন্য পুরুষের শুধু শরীরটা যথেষ্ট নয়, সাথে অর্থ থাকতে হবে, বউকে ভাত-কাপড় দেবার যোগ্যতা থাকতে হবে। ক্ষেত্র বিশেষ অহংকার করার মত সম্পদও থাকতে হবে। শরীরের সৌন্দর্যের সাথে শিক্ষা মিললে মেয়ে আরও আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে ফলে পাণিপ্রার্থী পাত্রের আয়ও তেমন আকর্ষনীয় হতে হবে নইলে মেয়ের মা-বাবা ও অভিভাবকের বাছাই প্রতিযোগীতায় ছেলে টিকবে না। মেয়ের আর কিছুর দরকার নেই শুধু শরীর থাকলেই হবে, এটাই তার বড় যোগ্যতা। ঠিক যে যোগ্যতাটা আপনি গনিকালয়ের গলিতে গিয়ে খুজেন; নিজের পছন্দমত একটা সুন্দর শরীরের বেশ্যা; তার দামও কিন্তু অন্য বেশ্যাদের থেকে বেশি। প্রযোগীতাটা সেখানেও আছে, আপনার পছন্দের সুন্দরী বেশ্যার চাহিদা অনুযায়ী টাকা না দিতে পারলে তার সাথে শুতে পারবেন না; যে দিতে পারবে সুন্দরী বেশ্যা তার সাথেই শোবে। দৌড়ের দিকটা কিন্তু একই শুধু ট্রাকটা আলাদা। টাকা দিয়ে একজনকে আপনি কিনে ঘরে নিয়ে যাচ্ছেন আজীবন যৌনসঙ্গী হিসেবে, সন্তানের মা বানাচ্ছেন, ভাত-কাপড় দিচ্ছেন অন্য দিকে টাকা দিয়ে সাময়িক সময়ের জন্য আরেকজনের সাথে আপনার চাহিদা মিটিয়ে আসছেন, তাকে গালি দিচ্ছেন বেশ্যা বলে। এতটুকুই তো পার্থক্য, দুটোতেই তো নারীর শরীর মুখ্য, যৌনতা মুখ্য।

ফলে ‘বেশ্যা’ বলার আগে ভেবে নিন বেশ্যা কাকে বলে? শুধু কি গনিকালয়ে বা হোটেলে-হোটেলে, প্রমোদ শালায় শরীর বেচলেই বেশ্যা হয়? এটাই শুধু বেশ্যাবৃত্তি? বেশ্যাবৃত্তি কি আরও বিস্তৃত? নাকি আমরাই কাউকে বানাচ্ছি বউ আর কাউকে বেশ্যা? নিশ্চিত হয়েছেন কি যে আপনার শরীরে বেশ্যার রক্ত নেই? ইতিহাস ঘেটেছেন?

Facebook Comments

3 thoughts on “বেশ্যা

  • July 14, 2018 at 2:41 am
    Permalink

    দারুন চিন্তা ভাবনা

    Reply
  • July 19, 2018 at 10:44 am
    Permalink

    চমৎকার যুক্তি আপনার লেখাটা পছন্দ হয়েছে ধন্যবাদ

    Reply

Leave a Reply

%d bloggers like this: