ধর্ম ও ধর্মেশ্বর – প্রথম পর্ব

বিশ্বের প্রতিটা মানুষই অসাধারণ এক জিজ্ঞাসু মন নিয়ে জনগণ করে। জন্মের পর হতেই দু-চোখে দেখতে পায় রঙিন পৃথিবী, স্পর্শ ইন্দ্রিয়ের স্বাদ নিতে হাতের মাধ্যমে ছুঁয়ে দেখতে চায় জগতের সবকিছু, পরিশেষে স্বাদ ইন্দ্রিয় দ্বারা বুঝতে হাতের নিকট যা পায় তার সব কিছুই মুখে নিয়ে দেখতে চায় একটি শিশু। আপনি প্রত্যেকটি ছোট শিশু মাঝেই এই গুনগুলি দেখতে পাবেন। এরপর যখন বড় হতে থাকে, তখন বাড়তে থাকে জ্ঞান, জন্ম নিতে থাকে প্রশ্নের। এটা কি, ওটা কি, এটা কেন হল, সেটা কিভাবে হল ইত্যাদি রকমের প্রশ্ন চলতেই থাকে। উত্তর পেলেই জিজ্ঞাসু মন শান্ত হয়ে যায়, নয়তো জিজ্ঞাসু মন কৌতূহলী হয়ে উঠে জানার পিপাসায়, চলতে থাকে তার অনুসন্ধান, সত্যানুসন্ধান।

Read more

বিগ ব্যাং থেকে মহাবিশ্ব

একটা সময় ব্যর্থ হয়ে তারা ঈশ্বর নামক এক অদ্ভুতুড়ে স্রষ্টার কল্পনা করে নিতে বাধ্য হয়েছিল এসব সৃষ্টির পেছনে। কারণ, তাদের জ্ঞান আর সামনের দিকে এগোচ্ছিল না। একেক গোত্রের মানুষ একেক রকমের ভিন্ন ভিন্ন নামের ঈশ্বরকে জন্ম দিতে দিতে পৃথিবীটাকে বাহারি ঈশ্বরের একটা বিরাট ভাগার তৈরি করে ফেলেছিল, যার ফলশ্রুতিতে পৃথিবীতে ঘটে গিয়েছিল এক মহা ঈশ্বর বিস্ফোরণ। সে বিস্ফোরণ শুরু হয়েছিল প্রায় দু লক্ষ বছর পূর্বে যখন প্রথম এই বুদ্ধিমান প্রাণীর আগমন ঘটেছিল এবং যার অবসান ঘটেছে মাত্র ১৪৫০ বছর পূর্বে। এর মধ্যে জন্ম নিয়েছে প্রায় ৪২০০ ঈশ্বর। কত সব বিচিত্র নাম সেসব ঈশ্বরের, আর কত সব বাহারি ক্যারেক্টার সেসব ঈশ্বরের, যা চিন্তাই করা যায় না।

Read more