ইসলামে স্বাধীন ইচ্ছা এবং নিয়তি

যেহেতু আল্লাহ্ সর্বজ্ঞানী বা তিনি সবকিছুই জানেন বা কোনোকিছুই তার জ্ঞানের বাইরে নেই, সেহেতু কখন কার জীবনে কি ঘটবে, কে কেমন কাজ করবে, কার পরিণতি কি হবে, সেসব তিনি তাদের জন্মের আগে থেকেই জানেন।

Read more

আমি কেন ধর্ম মানি না – ১

সক্রেটিশকে হেমলক পান করতে হয়েছিল, জিওদ্রানো ব্রুনোকে পুড়িয়ে মারা হয়েছিল, আর্কের জোয়ানকেও একই কারনে শাস্তি পেতে হয়েছিল। আমাদের দেশও এর বাইরে নয়। উদাহরণ তো এই বাংলাতেও আছে। যা আমরা সবাই জানি। ধর্মীয় কুয়াচারের বিরুদ্ধে সরব হওয়ার কারণে রামমোহন আর বিদ্যাসাগরকেও অনেক হেনস্থা হতে হয়।

Read more

মৃত্যুই শেষ কথা নয়

‘মরণোত্তর দেহদান’ ব্যাপারটি সচেতন মানুষের কাছে এখন পরিচিত হলেও অনেকের কাছে সামগ্রিক ধারণাটি তেমনভাবে স্পষ্ট নয়। মরণোত্তর দেহদান হল মৃত্যুর পর শবদেহ ধর্মীয় প্রথাসিদ্ধ মতে সৎকার না করে চিকিৎসাবিজ্ঞানের স্বার্থে দান করা।

Read more

ব্যক্তি আক্রমণ ও রেটোরিকাল ডিভাইস নিয়ে কিছু কথা – পর্ব ২

গত পর্বে ব্যক্তি আক্রমণ বা এড হোমিনেম নিয়ে আলোচনার শেষে অলঙ্কারের সমস্যার কথা উল্লেখ করেছিলাম। আমরা মানুষেরা যুক্তিবাক্য তৈরি করে

Read more

ব্যক্তি আক্রমণ ও রেটোরিকাল ডিভাইস নিয়ে কিছু কথা – পর্ব ১

এখানে চার প্রকারের ব্যক্তি আক্রমণ বা এড হোমিনেম নিয়ে লেখা হচ্ছে। এড হোমিনেম (এবিউসিভ), এড হোমিনেম (সারকামস্টেনশিয়াল), এড হোমিনেম (গিল্ট বাই এসোসিয়েশন), এবং এড হোমিনেম (টু কুওকুয়ি)। এই চারটি এড হোমিনেম নামক লজিকাল ফ্যালাসি বা যৌক্তিক হেত্বাভাস বা কুযুক্তির অন্তর্গত। কোন আলোচনা বা বিতর্কের সময় খেয়াল রাখা উচিৎ যাতে এগুলো আলোচনায় না আসে। ফেইসবুকের মত অনলাইন যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা ও তর্ক বিতর্ক লেগেই থাকে। আর সেখানে স্বভাবতই প্রবেশ করে এড হোমিনেম বা ব্যক্তি আক্রমণগুলো। কিন্তু শেষপর্যন্ত এগুলো আলোচনার পরিবেশকেই নষ্ট করে, কেননা এড হোমিনেম বা ব্যক্তি আক্রমণগুলো কোনটাই যুক্তিসঙ্গত নয়, সবকটাই কুযুক্তি।

Read more

নাস্তিকতাই স্ট্যালিন কর্তৃক গনহত্যার জন্য দায়ী?

নাস্তিকবিদ্বেষীরা আসলেই বিশ্বাস করেন যে ঈশ্বরে বিশ্বাস না করা একজন মানুষকে খুন/ধর্ষণের দিকে নিয়ে যায়। শাঁকচুন্নিতে বিশ্বাস না করা আপনাকে কোনদিকে নিয়ে যায়? যারা শাঁকচুন্নিতে বিশ্বাস করেন না তাদের করা যেকোনো অপরাধের জন্য কি তাদের শাঁকচুন্নিতে বিশ্বাস না করা দায়ী?

Read more

হাদিস সমূহের ভুল ঢাকতে ইসলামিস্টদের দেওয়া ব্যাখ্যার সীমাবদ্ধতা

ঘটনা ১: দিয়াশলাইয়ের সাহায্যে আগুন কিভাবে জ্বলে?দাবী ১: বারুদের সাথে উপযুক্ত খসখসে তলের ঘর্ষণের ফলে তাপ উৎপন্ন হয়। তখন বায়ুমন্ডলের

Read more

আরমিন নবাবি ও রিচার্ড ডকিন্স এর দৃষ্টিতে আস্তিক্যবাদ, নাস্তিক্যবাদ এবং অজ্ঞেয়বাদ

এই লেখাটি আরমিন নবাবির লেখা প্রবন্ধ “Atheism vs Agnosticism: What is the difference?”, তার লেখা গ্রন্থ “Why There Is No God: Simple Responses to 20 Common Arguments for the Existence of God” এবং রিচার্ড ডকিন্স এর লেখা গ্রন্থ “The God Delusion”-এ উল্লিখিত আস্তিক্যবাদ, নাস্তিক্যবাদ ও অজ্ঞেয়বাদ সম্পর্কিত আলোচনার উপর ভিত্তি করে লেখা হয়েছে।

Read more

কালাম কসমোলজিক্যাল আর্গুমেন্ট

১। সব কিছু- যার শুরু আছে, তার কারণ আছে।
২। মহাবিশ্বেরও একটা শুরু আছে, তাহলে তারও একটা কারণ থাকতে হবে। অতএব সেই কারণটি হচ্ছে ঈশ্বর।

Read more

ঈশ্বর হাইপোথিসিস

বিশ্বজগতের বিভিন্ন ঘটনার রহস্য বুঝতে না পেরে সমাধান হিসেবে কোনো কাল্পনিক সত্তাকে অনুমান করা থেকেই ঈশ্বর ধারনা মানব মস্তিষ্কে এসেছে। জগতের সকল বিষয় আমরা বুঝি না, হয়তো সবকিছুর রহস্য আমরা কখনওই বুঝতে পারবো না। তাই বলে যা আমাদের জ্ঞানের বাইরের তা সম্পর্কেও কোনো ব্যাখ্যা দাঁড় করাতে হবে, সেটা জরুরী নয়। প্রকৃতপক্ষে, ঈশ্বরবিশ্বাস কোনো সমাধান নয়, বরং ঈশ্বর শব্দটি অন্যভাবে “আমি জানি না” অর্থ প্রকাশ করে। বিশ্বাসীদের কাছে ঈশ্বর একটি অলৌকিক সত্ত্বা হলেও বাস্তবতায় তারা ঈশ্বরকে “আমি জানি না” অর্থে ব্যবহার করে। আপনি যখন বললেন, “ঈশ্বর না থাকলে মহাবিশ্ব কে তৈরি করলো”? ঠিক তখন পরোক্ষভাবে আপনি আসলে বললেন, “মহাবিশ্বের উদ্ভব কিভাবে হয়েছে তা আমি জানি না”। আর এই অজানা স্থানকে ব্যাখ্যা করতে আপনি একটি অলৌকিক সত্ত্বাকে অনুমান করে নিলেন।

Read more