ঋণং কৃত্বা ঘৃতং পিবেৎ?

চার্বাক। এই নামটি অনেকেই শুনে থাকবেন। এটি হল প্রাচীন ভারতের এক নাস্তিক্যবাদী দর্শন। এর অন্য নাম লোকায়ত দর্শন। চার্বাকেরা ঈশ্বর,দেহাতিরিক্ত আত্মা, জন্মান্তর,স্বর্গ,নরক,মোক্ষ ইত্যাদির কিছুই মানতেন না। চার্বাক এর নাম শোনামাত্রই একটি শ্লোক সবার মনে উঁকি দেয়-
যাবজ্ জীবেৎ সুখং জীবেদ্ ঋণং কৃত্বা ঘৃতং পিবেৎ।

Read more

ঈশ্বরের ধর্মবিশ্বাস

ঈশ্বর সব কিছু সৃষ্টি করেছেন বলে শোনা যায়, কিন্তু তাকে নাকি কেউ সৃষ্টি করেন নি অর্থাৎ তিনি নাস্তিক। এই ঈশ্বর অলৌকিক সত্ত্বা, তিনি আমাদের কাছে গুরুত্বহীন। ওনার চেয়ে আমাদের কাছে ঢের গুরুত্বপূর্ণ পৃথিবীর ঈশ্বর, মানে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, যিনি সমাজ সংস্কারক হিসাবে ভারতবাসীর অন্তরে অমর হয়ে আছেন । দেশের অশিক্ষা,কুসংস্কারের তিমিরে আলোকশিখা হয়ে এসেছিলেন তিনি। বিদ্যাসাগরের ধর্মবিশ্বাস ঠিক কি ছিল? জানা যায় তিনিও নাকি তথাকথিত সর্বশক্তিমানের মতই নাস্তিক ছিলেন!

Read more

ঈশ্বরই কি সৃষ্টির আদি বা প্রথম কারণ? অভিজিৎ রায়

অভিজিৎ রায় বিজ্ঞান, যুক্তিবাদ, ধর্মতত্ত্ব, নাস্তিক্যবাদ বিষয়ক লেখালেখির জন্য প্রখ্যাত একজন লেখক, ব্লগার, মুক্তচিন্তক।

Read more

গড লেটারঃ আইনস্টাইন কী ঈশ্বরে বিশ্বাসী ছিলেন?

আস্তিক মানুষদের একটি বহুল প্রচলিত যুক্তি হচ্ছে, ঈশ্বর না থাকলে আইনস্টাইনের মত প্রখ্যাত বিজ্ঞানী কেন ঈশ্বরে বিশ্বাসী ছিলেন? অর্থাৎ, আইনস্টাইনের

Read more

নবী মুহাম্মদকে আমি ভালো মানুষ বলি

নবী মুহাম্মদকে আমি ভালো মানুষ বলি। তিনি বেশকিছু মন্দ কাজ করেছেন, তারপরও ভালো বলি। মন্দ কাজ তো সকলেই কমবেশী করে।

Read more

আমি ধর্মের বাইরের একজন মুক্ত মানুষ

একসময় ধার্মিক মুসলমান ছিলাম। তখন নিজের উপর আমার মোটেও আস্থা ছিল না। আল্লাহ বিধিবিধান নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন, পাশাপাশি তিনি আমাকে

Read more

মনুর চোখে শূদ্ররা মানুষ নয়-হিন্দু ধর্মে শূদ্রের অবস্থান

মারাঠায় পেশোয়াদের শাসনকালে বিকাল ৩ টে থেকে সকাল ৯ টা পর্যন্ত অস্পৃশ্যদের পুনা শহরের ভেতরে প্রবেশের অনুমতি ছিল না কেননা সূর্যের প্রভাবে তাদের দীর্ঘ ছায়া কোনো ব্রাহ্মণের ওপর গিয়ে পড়লে তারা অপবিত্র হয়ে যেত। প্রাচীর ঘেরা শহরের মধ্যে অচ্ছুৎদের থাকার অধিকার ছিল না। কুকুর-গবাদি পশুরা শহরের মধ্যে ঘুরে বেড়াতে পারতো কিন্তু একজন অচ্ছুতেরো তার অধিকার ছিল না।

মারাঠা পেশোয়াদের শাসন আমলে কোনো অচ্ছুৎ মাটিতে থুতু ফেলতে পারতো না, পাছে কোনো হিন্দুর পায়ে তার স্পর্শ হয়! তাই থুতু ফেলার জন্য তার গলায় একটা মটকা ঝুলিয়ে দেয়া হত। অচ্ছুৎ এর কোমরে একটা ঝাড়ু বেধে রাখতে হত, যাতে সে তার অপবিত্র পায়ের ছাপ ভূমি থেকে মেটাতে মেটাতে চলে। কোনো ব্রাহ্মণ পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় মাটিতে তাকে শুয়ে পড়তে হত যাতে তার ছায়া সেই ব্রাহ্মণের ওপর না পড়ে।

Read more